নলছিটিতে আগুনে বসতঘর পুড়ে ছাই
Spread the love

এম কে কামরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির নলছিটিতে  আগুনে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার । সোমবার  (২৯ জুলাই ) দিবাগত রাত  ৩টার দিকে উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের লক্ষ্মণকাঠি  এলাকার মৃত বাবুল হাওলাদারের ছেলে নাঈম  হাওলাদারের বসতঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নাঈমের চাচা বাবুল হাওলাদার বলেন, গভীর রাতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে সম্পূর্ণ পুরে ছাই হয়ে যায়।  ঘরে থাকা , চাল-ডাল, খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি।তবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে সেটা জানতে পারিনি।আমাদের  পরিবারের একজন সদস্য  মারা যাওয়ায় রাতে সেখানে থাকায় বসতঘরে কেউ ছিলেন না। লক্ষ্মণকাঠি এলাকার ইউপি সদস্য মনির হোসেন বলেন,তাদের পড়নের কাপড় ছাড়া বাকি কিছুই রক্ষা করতে পারেনি।রাতে বাড়িতে কেউ না থাকায় ঘরটি সম্পূর্ণ পুরে ছাই হয়ে যায়।  নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.নজরুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত  পরিবারকে  টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হবে।

কুড়িগ্রামে ফিল্মি কায়দায় প্রকাশ্যে বসতবাড়ী ভাংচুর মালামাল লুটপাট ও সংঘর্ষে আহত-৩

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের কামদেব এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারের বসতবাড়ী ভাংচুর, মালামাল লুটপাট ও ঐ পরিবারের ৩জনকে গুরুতর রক্তাক্ত আহত করেছে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন সহ ভাড়াটে গুন্ডা বাহিনী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগসূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের কামদেব এলাকায় মৃত দবির উদ্দিনের পুত্র সফিকুল ইসলাম (৫৮) এর সহিত দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে বিরোধ চলে আসলেও আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে সফিকুল ইসলাম ডিক্রী প্রাপ্ত জমিতে বসতবাড়ী করে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে সম্পূর্ণ গাঁয়ের জোরে এক দল ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনীর সহায়তায় দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিবাদী পক্ষের লোকজন গত ২০ জুলাই’২০২৪ইং শনিবার দুপুরে প্রকাশ্য দিবালকে সফিকুল ইসলামের বসতবাড়ীতে হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসী হামলায় আহত হন- মৃত দবির উদ্দিনের পুত্র সফিকুল ইসলাম (৫৮), সফিকুল ইসলামের পুত্র আনিছুর রহমান (২৮) ও সফিকুলের স্ত্রী মোছাঃ আকিমা বেগম (৪৮)। আসামীরা অসহায় পরিবারের লোকজনকে বেধম মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করার পর আসামীরা বসতবাড়ীর ঘরের ভিতরে থাকা স্টিলের ট্রাংকে রক্ষিত নগদ ৪ লক্ষ টাকা ট্রাংক ভেঙ্গে লুট করে নেয়, ঘরে থাকা খাবারের জন্য ৩ ড্রাম চাউল লুট করে, ঘরের আসবাবপত্র, হাড়িপাতিল, শোকেস, আলনা, খাট, চেয়ার, টেবিল সহ ঘরের টিনের বেড়া ভাংচুর করে। চরম অমানবিক বর্বর হামলায় পরিবারটি অসহায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়লেও প্রতিবেশী লোকজন সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। এই বর্বর হামলায় নেতৃত্বদানকারী আসামীরা হলেন- বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের কামদেব এলাকার প্রতিবেশী মৃত জয়বর আলীর পুত্র এনামুল হক (৩১), ইসমাইল হোসেন (২৭), মৃত জযবর আলীর স্ত্রী মোছাঃ জাহিনুর বেওয়া (৪৬), মৃত বাতাল শেখ এর পুত্র হযরত আলী (৬১), ফুলবাবুর পুত্র বিপ্লব মিয়া (২২), হযরত আলীর পুত্র লাদেন মিয়া (২০), হযরত আলীর স্ত্রী রওশনা বেগম (৫০), আব্দুর রহমানের পুত্র একরামুল হক (৩০) সহ প্রায় অজ্ঞাত ৫০ জন আসামী। এই সন্ত্রাসী হামলা চলাকালীন সময়ে বাদীপক্ষের লোকজন সন্ত্রাসীদের ভয়ে নিজেদের জীবন বাঁচাতে আত্মচিৎকার দেয়া সহ পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা শেষ হওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। এব্যাপারে সফিকুল ইসলাম উলিপুর থানায় একটি অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। উপায় খুঁজে না পেয়ে সফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিজ্ঞ আমলী আদালত উলিপুরে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং- ৩০/২৪, তাং- ২৮/০৭/২০২৪ইং। অভিযোগকারী সফিকুল ইসলাম জানায়, বিশেষ জরুরী অবস্থায় আইন আদালতের তোয়াক্কা না করে সন্ত্রাসী গুন্ডাবাহিনী দিয়ে আমার পরিবারের উপর হামলা, বসতবাড়ী ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রশাসনের নিকট আমি ন্যায় বিচার কামনা করছি।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31