
অযত্ন আর অবহেলায় সংস্কারের অভাবে,ধ্বংস হওয়ার পথে প্রায় রানিশংকৈল উপজেলার রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী’টি।শতবছরের ঐতিহ্য ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে রাজবাড়ী সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম দিকে মালদুয়ার পরগণার অন্তর্গত হয়ে এসেছে।রাজবাড়িটি অবস্থান রংপুর বিভাগের রাণীশংকৈল উপজেলায়, অযত্ন আর অবহেলায় দাড়িয়ে রয়েছে। তবে বর্তমানে রাজবাড়ীটির সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। রাজা টংকনাথ এর পূর্ব-পুরুষদের কেউ জমিদার ছিলেন না । তবে বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা সদর হতে ৭ কিমি পূর্বে কাতিহার নামক জায়গায় গোয়ালা বংশীয় নিঃসন্তান এক জমিদার বাস করতেন । জমিদারের মন্দিরে সেবায়েত হিসাবে কাজ করতেন টংকনাথের পিতা বুদ্ধিনাথ ।
গোয়ালা জমিদার ভারত এর কাশি যাওয়ার সময় দলিল করে যান তিনি। ফিরে না এলে মন্দিরের সেবায়েত বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হন। তবে অনেকে মনে করেন এই ঘটনা বুদ্ধিনাথ দু-এক পুরুষ পূর্বেরও হতে পারে। জমিদার বুদ্ধিনাথের দ্বিতীয় ছেলে টংকনাথ তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের আস্থা অর্জন করার জন্য মালদুয়ার স্টেট গঠন করেন । উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে রাজবাড়িটি নির্মিত হয়। রাজা টংকনাথের পিতা বুদ্ধিনাথের আমলেই রাজবাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু হয় । বুদ্ধিনাথের মৃত্যুর পরে রাজা টংকনাথ রাজবাড়ির অসমাপ্ত কাজ শেষ করেন। স্থানীয়রা জান…..বর্তমানে রাজবাড়ি ও তৎসংলগ্ন সকল স্থাপনা পরিচর্যার অভাবে অবহেলিত ও পরিত্যক্ত।তাই সেই কারণে জেলার পর্যটক’রা হতাস হয়ে ফিরে যাচ্ছে।
এবং কি সঠিক তদারকি না করার কারণে আসেপাশে’র তরুণ সমাজরা সেখানে নেশার ঘাট হিসেবে ব্যবহার করছে।তাই স্থানীয় সহ জেলার মানুষের দাবি সঠিক তোদারকি ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।










