
একের পর এক প্রকৃতির দুর্যোগ, বন্যা, জ্বলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে বিলিন হয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের বসত বাড়ি ও ফসলী জমি । গাইবান্ধা জেলার ১১ নং গিদারী ইউনিয়ন আনালের ছড়া, ধুতিচোরা, শিলপাড়া, এলাকায় নদী ভাঙ্গন কোনো ভাবে আটকাতে পাচ্ছে না, এলাকাবাসী জানান, আমাদের গাইবান্ধা হয়তো থাকব না।
নদী থেকে ১০০ দুরে বসত বাড়ি অবস্থিত , নদী পাড়ে বসবাসরত ভুক্তভোগী গ্রামবাসির সাথে কথা বললে তারা বলেন, গত দুই বছর থেকে নদী পাড়ের কাজ হওয়ার কথা। কিন্তু আমরা এখনো কাজ দেখতে পারলাম না।
এ সময় গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন, প্রথমে বাঁধের কাজ হওয়ার কথা বলে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে তখন থেকে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়। বালু উত্তলনের ২ বছর গত হলেও কোন কাজের দেখা পায়নি এলাকাবাসী । অতি অবহেলার কারণে নদী ভাঙ্গন এখন চরম রুপ ধারন করেছে।
নদী পাড়ের ভুক্তভোগীরা আর বলেন, নদীর ধারে প্যারাসাইট নির্মানের জন্য আমরা ইতিপূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা দের বিষয় টি জানিয়েছি, কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি।
এদিকে নদীর পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা যাচ্ছে। নানান সমস্যায় পড়ছেন ব্রহ্মপুত্র নদীর পাশে থাকা বসত বাড়ি ভাঙ্গতে শুরু করেছে ফাসলী জমি । গত কয়েকদিন থেকে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানি গাইবান্ধা আনালের ছড়া, ধুতিচোরা এবং শিলপাড়া এলাকার বিভিন্ন ফসলী জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ সময় নদী পাড়ের ভুক্তভোগী বলেন, গাইবান্ধা সদর ২ আসনের সংসদ সদস্য শাহা সারোয়ার কবীর যদি এই বিষয় গুলো একটু খেয়াল রাখেন তাহলে অতি তারাতারি ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে বসবাস কারি পরিবার গুলি ক্ষতির মুখ থেকে রক্ষা পাবে।










