
ঈদ-উল আজহার দীর্ঘদিন ছুটি শেষে এবার বরিশাল থেকে লঞ্চে ও বাস যোগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষগুলো। গত বছরের মতো এবারও পদ্মা সেতুর প্রভাবে সড়কপথে যাত্রীদের ভিড় অনেকটা বেশি। পাশাপাশি পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দে যাতায়াতের জন্য নৌপথেও যাত্রীর চাপ রয়েছে চোখে পড়ার মত। বরিশাল নদীবন্দরের দায়িত্বরতরা বলছেন, ২১ শে জুন শুক্রবার নৌপথে যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলো। এদিন সর্বমোট ৯টি লঞ্চ রাজধানীর উদ্দেশ্য ছেড়ে যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে।
এছাড়া পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের পরের দিন থেকে যাত্রীদের ভিড় সামাল দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে যাত্রীরা অভিযোগ করেন, কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়কে পুঁজি করে সড়ক পথে তাদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। আশ্রাফুল ইসলাম নামের এক চাকুরিজীবি ঈদুল আযহার ঈদ পালন করতে বরিশালের গৌড়নদী নিজ গ্রামে আসেন, আবার ছুটি শেষে তড়িঘড়ি করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন। বাসে অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ঢাকা -বরিশাল মহাসড়ক দিয়ে যারা বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। আরেক যাত্রী মনির হোসেন বলেন, কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করেই যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ দেখেই কিছু অসাধু বাস ব্যবসায়ীরা ভাড়া বাড়িয়ে দেন। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, যাতে করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। যাত্রীদের এমন অভিযোগে, বরিশাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে এক টাকাও বেশি আদায় করা হচ্ছে না।এছাড়া ঈদকে ঘিরে যাত্রীদের নিশ্চিন্তে চলাচলে বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটে জেলা পুলিশ এবং নৌ পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে।










