প্রেমের টানে সুদুর যশোর মনিরামপুর থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় প্রবাসী প্রেমিকের বাড়িতে এসে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন দুই সন্তানের জননী শাহানাজ বেগম মুক্তা(৩৫)। মুক্তা বেগমের ১৭ বছর বয়সী ছেলে ও ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। তাদেরকে বাড়িতে রেখে মুক্তা গতকাল বিকেলে অবিবাহিত প্রবাসী প্রেমিক আশরাফুল হক স্বপনের বাড়িতে ওঠেন। বিয়ের দাবি জোরালো করতে মা ও বড় দুলাভাইকে সাথে নিয়ে আসেন মুক্তা। তবে সংবাদ পেয়ে বিপাকে পড়া মুক্তার স্বামী মহসিন আলম গতকাল রাতেই মনিরামপুর থেকে আলমডাঙ্গার পথে রওনা হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
জানা গেছে,১৪ই জুন শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নে ডাউকি গ্রামের ফকিরপাড়ার সোহরাব আলীর ছেলে আশরাফুল হক স্বপন (২০) সাথে রং নাম্বারে পরিচয় হয় যশোর মনিরামপুরের মহসিন আলীর স্ত্রী শাহানাজ বেগম মুক্তার। মুক্তার ১৭ বছর বয়সী এক ছেলে ও ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। এরপরও অবিবাহিত স্বপনের সাথে তিনি প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।
এরইমধ্যে স্বপন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করলে শুক্রবার বিকেলে মুক্তা মনিরাম থেকে আলমডাঙ্গার ডাউকিতে স্বপনের বাড়িতে এসে ওঠেন। তিনি সাথে নিয়ে আসেন মা ও বড় দুলাভাইকে। আকস্মিক এ ঘটনায় স্বপনের বাবা-মা চরম অস্বস্তিতে পড়েন। গ্রামের উৎসুক নারী-পুরুষ বাড়িতে ভীড় করতে থাকেন দেখার জন্য । মুক্তা বেগমের বাড়ি ছেড়ে আলমডাঙ্গায় চলে আসার খবর পৌছে যায় তার স্বামী মহসিন আলমের কাছে। তিনি স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে লোকজনসহ মনিরামপুর থেকে আলমডাঙ্গাতে মাইক্রোল্যোগ গাড়িতে সন্তানকে সাথে করে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে সাক্ষ্য দিয়ে রাত ১০ টায় মালেশিয়া প্রবাসী স্বপনের বাড়িতে অবস্থান কৃত মুক্তা বেগম কে জোর করে তার স্ত্রীকে নিয়ে যাই তার স্বামী ।
মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বপনের দুলাভাই বলেন স্বপনের সাথে গত দুই মাস আগে মোবাইল ফোনে এক লক্ষ টাকা দেনমোহরে মোছাঃ শাহানাজ বেগম মুক্তার সাথে বিবাহ হয়। তার স্বামীর বাড়ি থাকা অবস্থায় ডিভোর্স না দিয়েই বিবাহ করেন, তার ১৮ বছর বিবাহ হয় এবং দুইটি সন্তান আছে এটাও তিনি গোপন রাখেন, মোছাঃ শাহানাজ বেগম মুক্তার। স্বপন দেড় বছর তিনি মালয়েশিয়া গেছেন