
সোনামুখী টু কোনাবাড়ি বাস রাজীয়ান নির্জনা পরিবহনে যাত্রীর থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই।
সিরাজগঞ্জে কাজিপুর সোনামুখী হতে কোনাবাড়ি যাতায়াত পরিবহনে দুই যাত্রীর কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনতায়ে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা সূত্রে যানা গেছে আজ সকালে রাজীয়ান নির্জনা বাসে কোনাবাড়ি থাকে গোমাল মোস্তফা (২৩) যাত্রী কাউন্টার থেকে উঠে পল্লি বিদ্যুৎ নামন স্থানে আসলে তার খালাতো বোনকে তার পাশের ছিটে উঠান। পরে একসাথে কাজিপুর উদ্দেশ্য একই ছিটে আসতে থাকেন। কাজিপুরে সিমান্ত বাজার পার
হলে সকল যাত্রী নেমে গেলে, বাসের হেল্পার ও সুপার ভাইজার দুজন একা পেয়ে নানা জিজ্ঞা বাদ শুরু করেন। তাদের কাছে থাকা মোবাইল চাইলে দিতে অশিকার কিরলে তাদের ধারধোর করে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে নেয়। পরে স্বজনদের জায়ানালে তারা গাড়ি সহ হেল্পার রমজান ও সুপার ভাইজার নয়নকে চালিতাডাঙ্গা বাজারে আটক করে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গোলাম মোস্তফা বলেন, কোনাবাড়ি থেকে সকাল নয়টার গাড়িতে বাড়ির উদ্দেশ্যে আসতেছিলাম খালাতো বোনকে সাথে নিয়ে , সিরাজগঞ্জ শহর পার হওয়ার পর থেকেই হেলপার ও সুপারভাইজার মাঝে মাঝেই আমাদেরকে এসে নানা কথা জিজ্ঞাসা করে । সীমান্ত বাজার পার। খালি বাসে আমাদের দুজনকে টাকা পয়সা ও মোবাইল ফোন চাই। দিতে অস্বীকার করলে। আমাদের দুজনকে হ্যস্ত নাস্ত করে এবং কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এবং মারতে মারতে মেঘাই নিয়ে আসে। অনেক অনুরোধ করেছি আমার খালাতো বোনের গলায় একটি স্বর্ণের চেইন ছিল তাও নেওয়ার চেষ্টা করেছে বাধা দিতে গেলে আরো বেশি মারের শিকার হই। তারা আমাদের একা পেয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ বিষয়ে সোনামুখী কাউন্টার মাস্টার আব্দুস সবুর বলেন, বিষয়টি শোনার পর চালিতাডাঙ্গা গিয়ে হেল্পার ও সুপারভাইজারের দেখা পাই। যাত্রীর টাকা ও মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা করি। বাস মালিকও তার মুরুব্বীদের ডাকা হয়েছে তারপরেই তাদের কঠিন বিচার করা হবে।
বাস মালিক মিলন মেম্বার জানান, এটি খুবই দুঃখজনক একটি ঘটনা, যাত্রীদের সাথে এমন ঘটনা ঘটলে আমরা কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ইতিপূর্বে এমন ঘটনার শিকার আমরা কখনোই হইনি। টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










