
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম সিকদার পাড়া গ্রামের দারুল হিজরাহ্ ইনিস্টিউটের ৪০ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সদকায়ে জারিয়া ফাউন্ডেশনকর্তৃক ৬০ শতাংশ অনুদানকৃত নতুন ভবন বুধবার ৫ জুন সকাল ১১ টায় উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অত্র দারুল হিজরাহ্ ইনিস্টিউট মাদ্রাসার পরিচালক প্রধান জনাব আব্দুল খালেকের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দারুল হিজরাহ্ ইনিস্টিউটে অনুদানকৃত সদকায়ে জারিয়া ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল জনাব ফখরুল ইসলাম মুন্না।অত্র মাদ্রাসার সভাপতি জনাব রেজাউল করিম মেম্বার,সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর আল মাসুদ,পরিচালনা কমিটির প্রভাবশালী সদস্য লুৎফুর রহমান।
আরো উপস্থিত ছিলেন, অত্র মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি জালাল আহমেদও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান নয়ন, অত্র মাদ্রাসার অর্থ-সম্পাদক আহমদ হোসাইন সাওদাগর।মাওলানা মাহমুদুল, মাওলানা হাবিবউল্লাহ ফকিরাবদ।
দারুল হিজরাহ্ ইনিস্টিউটের আয়োজিত ভবন উদ্বোধনে আরো উপস্থিত ছিলেন,আব্দুস সালাম, হামিদ উল্লাহ,সাবের, আইয়ুব,মাওলানা হাফেজ মনসুর,যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দিলদার আহমদ,আবুল কালাম,আব্দুল্লা সাওদাগর, আব্দুল্লাহ,জকির আহমেদ, ফরিদ আলম, ফরিদ আহমদ, জাফর আলম এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও মাদ্রাসার কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের অবিভাবকসহ আরো অনেকে।
এ সময় জানতে চাইলে মাদ্রাসা প্রধান আব্দুল খালেক বলেন, দারুল হিজরাহ্ ইনিস্টিউট পরিচালনায় সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করি।এবং মাদ্রাসার বাউন্ডারি, নতুন অফিস সংস্কার,কম্পিউটার, অফিস সরঞ্জামে সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে বিত্তশালীদের আহ্বান করেন।
তিনি আরো বলেন,আমরা অনান্য মাদ্রাসার মতো প্রতি মানুষের কাছে গিয়ে গিয়ে চাঁদা উত্তোলন করি না। মাদ্রাসা পরিচালনা করতে গিয়ে আমাদের অনেক আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়তে হয়।অত্র মাদ্রাসা কমিটিদের টাকায় ও এলাকার মানুষের সহযোগীতায় এবং আগ্রহী মানুষের অনুদানকৃত অর্থ দিয়ে মাদ্রাসার আর্থিক ব্যায় মিটাতে হয়।
মাদ্রাসা বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালনা কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান নয়ন জানায়,দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আমাদের এলাকায় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলো না। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোন আলোর পথ দেখেনি প্রায় এক দশকের বেশি সময়ধরে। নতুন কমিটি আশার পরে এখন অনেকটায় আলোর পথে।বিশেষ করে পরিচালনা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম মেম্বারের আপ্রাণ চেষ্টায় আমরা নতুন ভবনের কাজ শেষ করতে পেরেছি।
আরো বলেন,আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রথম শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত আমরা এই শ্রেণী গুলো কোরআন এবং হাদিস শিক্ষার যথার্থ ব্যবস্হা রেখেছি। ইনশাআল্লাহ এই মাদ্রাসা সমাজের প্রতিটি ছোট্ট ছোট্ট সোনামনিদের মানুষের মত মানুষ হওয়া এবং দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য আগামী দিনগুলোতে যথার্থ ভুমিকা রাখবে।










