
সকল জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী২৯ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
এ-উপলক্ষ্যে প্রার্থীরা তাফসীল ঘোষনাওপ্রতীক বরাদ্ধের পর থোকে উভয় পক্ষের জমজমাট প্রচারণা,মাইকিং,গনসংযোগ,মিছিল, মিটিং সভা সমাবেশ,ও উঠান বৈঠক ঝাঁকজমক পূর্ণভাবে সমান তালে চালিয়ে আসছিল।
নির্বাচনী আইন ও বিধি অনুসরন করে২৬ মে রাত ১২ টার পর থেকে সকল প্রকার প্রচারণা বন্ধ করে দেয় জেলাও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এবারের নির্বাচনে প্রতিটি পদের জন্য চেয়াম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে৩ জন করে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা করে।
জেলা রিটার্নিং অফিসার মনোনয়ন ফরমও প্রার্থীতা যাচাই বাচাইয়ের পর ৯ জনের মনোনয়নই বৈধ ঘোষনা করে। তাদের নিজনিজ পছন্দ মতো প্রতীকও বরাদ্ধ দেয়।
প্রীতক বরাদ্ধ পাওয়ার পর থেকে প্রত্যেক প্রার্থীই তারা তাদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যায়।
শুধু মাত্র ড্যামী প্রার্থী( মোটর সাইকেল) প্রতীকের দিদার মিয়া ছাড়া। সেক্ষেত্রে এখন টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুই জন প্রার্থীই স্বক্রিয় রয়েছে।
একজন হল বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যন (টেলিফোন) প্রতীকের নুরুল আলম,অপর জন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান (আনারস) প্রতীকের জাফর আহমদ। বিএন পি জাময়াত ভোটে অংশ না নেয়ায় উভয় জনই আওয়ামী ঘরনার প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। তদ্মধ্যে নুরুল আলমের পূর্ব পুরুষও বংশপরস্পরায় ও অতীত রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বিবেচনা করলে দেখাযায় তিনি একজন জন্মগত আওয়ামী পরিবারও টেকনাফে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্টায় যাদের অবদান বেশী এমন একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান।
সে দিকদিয়ে বিবেচনা করলে টেকনাফের প্রকৃত আওয়ামীলীগাররা কখনো ও এর বাইরে যেতে পারে না।তাছাড়া তার রয়েছে বহুমুখী প্রতিভা। শিক্ষিত মার্জিত ও উপজেলার ছাত্রলীগ, যুবলীগের প্রাণপুরুষ হিসেবে সকলের কাছে সমাদৃত,এ বহুমুখীপ্রতিভায় বিমুগ্ধ করে পুরো উপজেলা র আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামায়াত ঘরনার মানুষ সহ আমজনতার কাছে নুরুল আলমই হয়ে উঠেছে একজন প্রিয় অভিভাবক।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তিনি আবারো এই টেকনাফ নগরীর অভিভাবক হবেন বলে দৃঢ় আশাবাদী।
অপর দিকে জাফর আহমদ যদিও বা সে এখন নিজেকে আওয়ামীলীগ দাবী করলেও তার অতীত ইতিহাস রয়েছে তিনি একজন বিএনপি দলছুট নেতা। শিক্ষা দীক্ষায় কিছু টা পিছিয়ে থাকলেও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান,সহ প্রভাব প্রতিপত্তিতে একজন সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি বলয়ের মানুষ ।
সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচন বেশী কঠিন হবে বলে অনেকের মুখে বলতে শুনা যাচ্ছে। নির্বাচন যতই কঠিন হোক না কেন এবার জয়ের ব্যাপারে তিনিও দারুণ ভাবে আশাবাদী বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।










