পীর সেজে অন্য নারীতে আসক্ত হয়ে স্ত্রীকে তালাকনামা পাঠানোয় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষুব্ধ স্ত্রী আরজিনা খাতুন চাঁদনী তার স্বামী হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে । আজ ২৫ শে মে তিনি স্বামীর অত্যাচার, নির্যাতন ও একাধিক নারীর প্রতি আসক্তির প্রসঙ্গ তুলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যই তিনি একথা বলেন।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের মনোহরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। গত ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর আলমডাঙ্গার ডাউকি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে হাসিবুল ইসলামের সাথে বিয়ে হয়। মোছা: আরজিনা খাতুন চাঁদনী,তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন হাসিবুল ইসলামের সাথে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়।
বিয়ের তিন বছর পর আমার একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। তার বয়স এখন ১০ বছর।
তিনি জানান, সন্তান হওয়ার পর থেকেই স্বামী হাসিবুল আমার পিতার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আনার জন্য চাপ দিতে থাকে। শারীরিকভাবে আমাকে নির্যাতন করতে থাকে। এ সময় থেকে আমার স্বামী নিজে পীর সেজে বাড়িতে আস্তানা গড়ে তোলে। সেই আস্তানায় বিভিন্ন নারীরা আসতে থাকে। আলমডাঙ্গা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অফিস সহকারী হোসনে আরা হাসু আমার স্বামীর সাথে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে সেই আস্তানায় আসা শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা স্বামী-স্ত্রীর মত মেলামেশা শুরু করেন। এতে আমি আপত্তি করলে আমাকে নির্যাতন করে আমার বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর হাসিবুল আমাকে তালাকনামা পাঠায়। আমি আমার সন্তানের সুরক্ষায় হাসিবুলকে আসামী করে বিজ্ঞ জীবননগর আমলী আদালত চুয়াডাঙ্গায় যৌতুক নিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করি। সংবাদ সম্মেলনে আরজিনা খাতুন চাঁদনী তার স্বামী হাসিবুলের অনাচার ও দুরাচারের শাস্তি পেতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।