চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের রাতের অন্ধকারে জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে ব্রাইট মডেল স্কুলের পরিচালক জাকারিয়া হিরোর বিরুদ্ধে।
এতে জবরদখল করতে গিয়ে আবারো সমালোচনার তীব্র ঝড় তুলেছেন ব্রাইট মডেল স্কুলের পরিচালক জাকারিয়া হিরো । কলেজের চলমান কনস্ট্রাকশন কাজের মধ্যেই হিরো কলেজের কয়েক শতক জমি নিজের জমির দাবি করে বেড়া দিয়ে ঘিরে নেন। শুক্রবার ২৬ শে এপ্রিল সকালে সরকারি কলেজের পাশিল নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে বাসের বেড়া দিয়ে আনুমানিক তিন শতক জমি ঘিরে নেন। এই সংবাদ জানতে পেরে কলেজের অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারী ছুটির দিনেও কলেজে হাজির হন। শহরের সচেতন ব্যক্তিবর্গও ছুটে যান।সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা দাস আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ গনি মিয়া । এরপর পরে বেড়া সরিয়ে দিয়ে আবারো প্রাচীরের কাজ শুরু করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা দাস বলেন, জাকারিয়া হিরো মোটেও সঠিক কাজ করেননি। জমিটা কীভাবে তার সেটা কলেজ কর্তৃপক্ষকে আগে অবহিত করতে পারতেন। এভাবে জমি দখলে নেয়া ঠিক হয়নি।
আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক . জেএম আব্দুর রকীব বলেন, কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ওই জমি কলেজের ভোগদখলে রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজের স্বার্থ দেখবে। প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ওই জমি দখলে রাখবে। প্রাচীর নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
এদিকে, অভিযুক্ত জাকারিয়া হিরো সম্পর্কে আলমডাঙ্গাবাসীর ব্যাপক ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে দেখা গেছে। এ ব্যাপারে শহরবাসীর চাপা ক্ষোভ রয়েছে।
এমনকি সরকারি কলেজের জমি দখলের মত ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, আলমডাঙ্গায় কিছু অসৎ মহুরী, কিছু সরকারি কর্মচারী ও চিহ্নিত ভূমিদস্যুর মিলিত একটি গ্যং রয়েছে। এরা টাকার বিনিময়ে লোভী শ্রেণির বিত্তবানদের হয়ে এসব অপকর্ম করে থাকে।
একটা মানবিক, সচেতন ও কল্যাণমুখী আলমডাঙ্গা গড়ে তোলার স্বার্থে সকল নেতিবাচক শক্তির বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক। এবং তা এখনই করা উচিত। এ ব্যাপারে তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এমন মনোভাব আলমডাঙ্গার অধিকাংশ সচেতন মানুষের।