বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য কর্মী সভা অনুষ্ঠিত "
দীর্ঘ আট বছর পর সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ছাত্র সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (২২ এপ্রিল)সোমবার ৩ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ মুক্তির সোপানে এ কর্মী সভার আয়োজন করা হয়।উক্ত কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জ্বনাব সাদ্দাম হোসেন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক জ্বনাব শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ৬৩ সিরাজগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ড.জান্নাত আরা হেনরি, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জ্বনাব প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ড.আব্দুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য চয়ন ইসলাম,আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার মাননীয় সভাপতি জ্বনাব অ্যাডভোকেট কে,এম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক জ্বনাব আব্দুস সামাদ তালুকদার,সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব জ্বনাব কবির বিন আনোয়ার সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী,সাংবাদিক সহ বিবিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।বক্তব্যের শুরুতে বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের প্রতি এবং বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ছাত্র সমাজ তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জ্বনাব সাদ্দাম হোসেন বলেন, পদ এবং পদবীকে প্রাধান্য না দিয়ে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার ২০ ৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।একজন ছাত্রলীগ কর্মীকে অবশ্যই একজন ভালো ছাত্র হতে হবে এবং নিজের দায়িত্ব এবং কর্তব্য কে প্রাধান্য দিতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। কোনভাবেই সংগঠনের মানকে ক্ষুন্ন করা যাবে না বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে দেশ এবং দশের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে হবে।হতে হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। সভাপতি তার বক্তব্যে আরো বলেন পদে যাদেরকেই প্রদান্নিত করা হোক না কেন তারা যেমন নিজের আত্ম অহংকার ভুলে কাজ করবেন তেমনি যারা পদান্বিত হতে পারেননি তারাও পাশে থেকে সংগঠনের আজকে ত্বরান্বিত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং সকলের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ু কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।