টেলিভিশনের ছোট পর্দার অভিনেতা অলিউল হক রুমি সোমবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
এদিন সকাল ৯টায় রাজধানীর শহীদবাগ এলাকায় রুমির প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয় । পরে গ্রামের বাড়ি বরগুনার পথে রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, অভিনেতা ইমরান হাসো । এদিকে, তার মৃত্যুতে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । পরিচালক থেকে অভিনয়শিল্পী, কেউই রুমির মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না । অভিনেতা অলিউল হক রুমি অভিনয়ে তিন দশকের বেশি সময় পার করেছেন। দীর্ঘ এ পথচলায় অভিনয় করেছেন অসংখ্য নাটক ও সিনেমায়। তার অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন । পর্দায় তার উপস্থিতি বাড়তি আনন্দ দিয়েছে দর্শকদের। এক মাস আগে হঠাৎ করেই রুমির শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ভারতে যান চিকিৎসার জন্য । সেখানে থেকে দেশে ফিরে রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন রুমি। আজ সেখানেই তিনি ইন্তেকাল করেন ৷ ২০০৯ সালে ‘দরিয়াপাড়ের দৌলতি’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন এ অভিনেতা। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে‘বাপ–বেটা দৌড়ের উপর’, ‘ যেই লাউ সেই কদু, হাবুর স্কালার্সিপ, আমেরিকান সাহেব’, ‘জার্নি বাই বাস’, ‘বাকির নাম ফাঁকি’, ‘যমজ-৫ ’, ‘যমজ-৬ ’, ‘যমজ-৭ ’, ‘যমজ-৮’, ‘যমজ-৯ ’, ‘যমজ-১০ ’, ‘সাজেশন সেলিম’, ‘বোকাসোকা তিনজন’, ‘মেকআপ ম্যান’, ‘ঢাকা টু বরিশাল’, ‘ঢাকা মেট্রো লাভ’, ‘রতনে রতন চিনে’, ‘সোনার শিকল’, ‘কমেডি ৪২০ ’, ‘প্রেসিডেন্ট সিরাজউদ্দৌলা’, ‘আকাশ চুরি’, ‘চৈতা পাগল’, ‘জীবনের অলিগলি’, ‘মেঘে ঢাকা শহর’ ইত্যাদি।