
হ্নীলায় জনতার হাতে পাহাড়ি দূবৃর্ত্ত দলের সদস্য মরিচ্যাঘোনার ডাকাত সাইফুল্যা আটক।
টেকনাফের হ্নীলায় পাহাড়ের পাদদেশে জনবসতিতে লুটপাট করতে নেমে পাহাড়ি স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত দলের সদস্য এবং একাধিক ডাকাতি মামলার আসামী মরিচ্যাঘোনার ডাকাত সাইফুল্যাকে জনতার সহায়তায় আটক করা হয়েছে। জানা যায়,২১এপ্রিল ভোররাত ২টারদিকে। উপজেলার হ্নীলা ইউপির পশ্চিম পানখালী শিয়াইল্যা মোরার মৃত হায়দর আলীর পুত্র সোনা মিয়ার বসত-বাড়ি লুটপাট করতে পাহাড় হতে ১০/১৫জনের একটি স্বশস্ত্র গ্রুপ নেমে বাড়িতে হানা দেয়। এসময় সর্তক অবস্থানে থাকা প্রতিবেশী লোকজন টের পেয়ে ধাওয়া করে হ্নীলা মরিচ্যাঘোনা বড়বিলের আহমদ হোছন প্রকাশ দোয়াশীর পুত্র এবং ৪/৫টি ডাকাতি মামলার আসামী ডাকাত মোহাম্মদ সাইফুল ওরফে গুটি সাইফুল্লা (৩০) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানান। স্থানীয় ইউপি মেম্বার বশির আহমদ বলেন, এই স্বশস্ত্র ডাকাত গ্রুপ ও তাদের সহায়তাকারী গ্রুপের উৎপাতে কৃষিপ্রবণ এলাকার কৃষকেরা চাষাবাদ করতে পারছেনা। অনেকে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাঠাচ্ছে। তাদের কারণে সাধারণ মানুষ শান্তিতে নেই। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি। হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, কিছুদিন পূর্বে এই ডাকাতের মা-বাবাকে গ্রেফতার করে পুলিশ হাজতে পাঠিয়েছিল। তবুও তার অপকর্ম কমেনি। এই দূধর্ষ ডাকাত সদস্যকে রিমান্ডে এনে তাদের হেফাজতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মুহাম্মদ ওসমান গণি জানান, জনতার সহায়তায় ডাকাত সাইফুলকে আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে আগের কয়েকটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখ্য,তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাসের আমলে আলী আকবর পাড়ার মিয়ার পুত্র মাদক কারবারী মাহমুদুর রহমান ক্রসফায়ারে নিহত হলে তার গ্রæপের ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র আব্দুল গফুরের পুত্র এবং ডাকাত সাইফুলের বোন জামাই শফিকের হাতে জমা ছিল। এসব অবৈধ অস্ত্র নিয়ে তারা পাহাড়ের পাদদেশে ডাকাতি করতে করতে গড়ে তোলে স্বশস্ত্র ডাকাত গ্রæপ। এখন কতিপয় ভাড়াটে ও রোহিঙ্গা ডাকাত মিলে স্থানীয় কৃষক ও রাখাল,কাঠুরিয়া ও সাধারণ মানুষজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় বাণিজ্যের মাধ্যমে জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গের এক মাদক কারবারীকে পাওনা টাকার জন্য ধানক্ষেতে প্রকাশ্যে অস্ত্র ধরে জবাই করার হুমকি এরপর অপহরণের ১দিন পর মুক্তি দেয়। এখন তার বোন জামাই শফিকের হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্রপাতি উদ্ধারের জোর দাবী উঠেছে।










