
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এক নারী চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ড্রেস পরিবর্তের সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করে কিছু প্রতারক চক্র।
চিকিৎসকের এই গোপন ভিডিওটি ধারণ করা হয়, নার্সদের কোয়াটারের ছাদ থেকে। এতে যুক্ত ছিলেন নাইমুর রহমান, ইমরুল হাসান, জাকারিয়া হোসেন বেনজির ও আরাফাত হোসেন৷ পরে সেই ভিডিও নারী চিকিৎসকের কাছে পাঠিয়ে দেড় লাখ টাকা দাবি করে এবং কুপ্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে রাজি হয় নি তিনি। বুধবার (১৭ এপ্রিল)ব্ল্যাকমেইল করা যৌন হয়রানি করার প্রতিবাদে আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করা হয়।এ ঘটনায় মামলার পর গত ১০ এপ্রিল চার আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. জাকারিয়া জাকি বলেন, মামলার পর থেকে অভিযুক্ত পরিবার ও প্রভাবশালীরা মামলা তুলে নিতে হুমকি প্রদান করে৷ এ অবস্থায় ভুক্তভোগীর পরিবার ভয়ে দিন পার করছে। গ্রেফতার আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ ও দৃষ্টান্ত শাস্তিসহ ভুক্তভোগীর জীবনের নিরাপত্তার দাবি করছি। অন্যথা কঠোর কর্মসূচির দেওয়া হয়। আরেক ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মোহনা দেব তৃষা বলেন, দেখুন হাসপাতালে এতো ভীরের মধ্যে আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। কোয়াটারে থেকেও আমরা নারী চিকিৎসকরা নিরাপদ না। এ বিষয়ে নানা ধরণের হুমকি আসচ্ছে। আসামিরা ছাড়া পেয়ে গেলে ভুক্তভোগীসহ আমরা যারা আছি তাদেরকে দেখে নেওয়ার কথাও শুনেছি। তারা যেনো জামিন না পায় ও তাদের রিমান্ডে এনে আরও কারো কাছে ভিডিও রয়েছে কি না তা তদন্তের দাবি জানাই।










