
বরিশালের হিজলা উপজেলার সাওড়া শৈয়দখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলম সহ তার অফিস কর্মীদের মারধর করা হয় ।
জানা যায় ৪ এপ্রিল বিকাল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের বাংলা মটর, অবৈধ কারেন্ট জাল অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলম ও হিজলা নৌপুলিশ সদস্যরা।
এ সময় কারেন্ট জাল তল্লাশি শুরু করলে কে বা কাহারা ইনচার্জ আব্দুর রহিম কে বিষয়টি অবহিত করলে আব্দুর রহিম তার সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসে । উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলম জানান, ইন্সপেক্টর রহিমের সাথে অবৈধ কারেন্ট জালের বিষয়ে আলোচনা করলে আব্দুর রহিম মাথা গরম করে বলেন, ওই জাল আমি বিক্রি করে দিয়েছি আপনারা কেন এসেছেন । এক পর্যায়ে ইন্সপেক্টর রহিমের নির্দেশে তার দুই কনস্টেবল, মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলম, মাঝি সাইদুল ইসলাম, ও আবু হানিফ সহ সকলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন । আহতরা হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে । ঘটনা সময় প্রত্যক্ষদর্শী, নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, অবৈধ সারেন্ডার বিক্রির অন্তরালে রয়েছে ইন্সপেক্টর আব্দুর রহিম এর হাত। এদিকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলম বলে কোন কথা ছাড়াই তিনি ও তার কর্মীদের উপর চড়াও হয়ে এলোপাতারি মারধর করেন । তিনি আরো বলেন এ বিষয়ে আমি মামলা করব । বিষয়ে জানতে চাইলে হরিনাথপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহিম বলেন কর্মকর্তা আমাকে ডেকে এনে রীতিমত অপমান করেছে।










