
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গত ০৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি এলাকায় ফুটপাত থেকে হকার্স ও ভাসমান দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু করলেও এতোদিন পরও শতোভাগ সফলতা আসেনি।সকালে প্রশাসন হকার্স উচ্ছেদ করলে বিকাল হতেই আবারও হকার্স পুরোদমে বসে যায় স্ব স্ব স্হানে।এর মধ্যে গত দুইমাস প্রশাসন ও হকার্সরা চুরি পুলিশ খেলা চলে এবং একদিকে হকার্স সমিতি হকার্স লীগ উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে গেলেও অন্যদিকে চট্টগ্রাম বনিক সমিতি ছাত্রলীগ যুবলীগ বিভিন্ন সংগঠন চট্টগ্রাম সুশীল সমাজের ব্যানারে ফুটপাথ থেকে হকার্স উচ্ছেদ করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম মানববন্ধন করে সিটি কর্পোরেশন এর উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে আসলেও মুলত প্রতিদিনই দেখা গেছে হকার্সরা প্রশাসনের সামনেই স্বাভাবিক ভাবেই ব্যবসা করছিলেন।এইভাবে আন্দোলন সংগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর বড়সড় অভিযান কিছুই কাজ হয়নি।গত একসপ্তাহ থেকে হকার্সদের আর ফুটপাথ থেকে তুলতেও দেখা যায়ইনি।
এতোদিন পর আজ ০৩ এপ্রিল দুপুর বারোটার দিকে হঠাৎ করেই পুলিশ ওপ্রশাসনের কর্মকর্তারা হকার্স উচ্ছেদ করতে এলেই বাজে বিপত্তি। উচ্ছেদ করার পরপর জাতীয় হকার্সলীগ চট্টগ্রাম হকার্স সমিতি কিছুক্ষণের মধ্যে চট্টগ্রাম নিউমার্কেট চত্বরে জমায়েত হয়ে আন্দোলন শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশের সামনের নিউমার্কেট একালা কোতোয়ালী মোড় আমতলা চট্টগ্রাম রেলস্টেশন আইসফ্যাক্টরি রোড সহ আশপাশের এলাকায় রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ করে ব্যারিকেড বসিয়ে ঈদ বাজারে চরম জনদূরভোগের সৃষ্টি করে।তাদের দাবি হকার্সদের যতোক্ষন ব্যবসা করার সুযোগ দিবেনা তারা ততোক্ষণ প্রাণের বিনিময় হলে রাস্তায় ব্যারিকেড তুলবেনা।
এদিকে পুলিশ প্রশাসন কৌশলী ভুমিকায় আস্তে আস্তে জমায়েত হতে দেখা যাচ্ছে এবং আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। এঅবস্হায় চট্টগ্রামের ঈদ বাজারে আসা ক্রেতাসাধারণ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে যেকোনো সময় বড়ধরনের ঘটনার আশংকা করছেন সকলে।আবার আশেপাশের মার্কেটের দোকানিরাও আছেন শঙ্কায় কোন সময় কি হয়।










