
নওগাঁর মান্দায় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও পুলিশের সাথে সখ্যতা করে অবৈধভাবে যত্রতত্র মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পুকুর সংস্কারের অজুহাতে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ী মামুন ও আব্দুল মাজেদ রাস্তাঘাট নষ্ট করে সদর ইউনিয়নের চক-মুনসব এলাকায় এমন কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন। মাটি ব্যবসায়ীরা উপজেলার মান্দা সদর ইউপির সাহাপুর এলাকার বাসিন্দা। পাকা রাস্তা-ঘাট নষ্ট করে রাস্তার পাশের সরকারি জমি ভরাট করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এতে করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। যেন দেখার কেউ নেই। পাকা রাস্তায় কাঁদা পড়ে, কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে। যেকোন সময় পিচলে পড়ে মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন আরোহীরা বড় ধরণের দূর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। ইতিমধ্য অনেকে কাঁদায় পিচলে পড়ে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এছাড়াও দীর্ঘদিন রাস্তায় কাদা পড়ে শুকিয়ে অসহনীয় ধোলাই পরিণত হয়েছে। এখন এই রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছেন। গাড়ি চলাচলের সময় পথচারীদের ভোগান্তির পৌঁহাতে হচ্ছে। এই রাস্তায় চলাচলে পথচারীদের শরীর ফ্যাকাশে বর্ণ ধারণ করছেন। অন্যদকে পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছেন। আশেপাশের জনবসতি ও গাছ পালা ধুলোয় ধুসর রং ধারণ করছেন। এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হলেও বাঁচার উপায় পাচ্ছেন না। প্রতিবাদ করলে উল্টো মাটি ব্যবসায়ীরা তাদেরকে হুমকি দিচ্ছেন।
সরেজমিনে গেলে, মাটি ব্যবসায়ী আব্দুল মাজেদ জানান, সবার সাথে কথা বলেই মাটি কাটা হচ্ছে। স্থানীয় কিছু নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করে এসব করে যাচ্ছেন। তাদের ভয়ে কেউ কোন কিছু বলতে পারছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি জানান, বেশ কয়েকদিন আগে রাস্তাঘাট নষ্টসহ পরিবেশ দূষণের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে এরপরেও অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা ভূমি অফিসেও থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে নির্বিঘ্নে এসব কর্মযোগ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এব্যাপারে সদর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান জানান, মাটি কাটার ব্যাপারে আমার সাথে কোন যোগাযোগ হয়নি। এবিষয়ে কিছু জানিনা। অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করলে করতে পারে। এ ব্যাপারে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোজাম্মেল কাজি জানান, টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয় সত্য নয়। একজন অভিযোগ করতেই পারে সেটা সত্যতা যাচাই করবেন। তিনি আরো বলেন পুলিশের বিরুদ্ধে কিছু লেখার আগে যাচাই করে লিখবেন।










