
বাংলাদেশে পবিত্র রমজানের চাদঁ দেখা গেখে,আজ রাতে সেহেরি কাল প্রথম রোজা পবিত্র মাহে রমজান।
এই রমজানকে সামনে রেখে আজ হঠাৎ চট্টগ্রাম জেলায় বাজার উর্ধ্বমুখী আজ বাজারে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদের মূল্য আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।। গরুর মাংস বেশ কিছুদিন আগেও ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ৮৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে লেবু প্রতিহালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। শসা প্রতি কেজি গতকাল ছিলো ৭০ থেকে ৮০ টাকা,আজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায় । মুরগির দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ২১০ টাকায় পৌঁছলে ও চাল পূর্বের দামেই রয়েছে তবে বেগুনের দাম গতকাল ছিলো ৪০ টাক আজ ৬০ টাকা। সকল প্রকার সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০-৩০ টাকা।অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে সকল প্রকার ডালের। তবে স্বস্তি মিলেছে ভোজ্য তেলে আগের মতোই রয়েছে। চিনির দাম কমেছে পাঁচ টাকার মতো। পিয়াজের দাম ১২০ টাক ও মাছের দাম অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে কেজিতে প্রতি জাতের মাছে বেড়েছে ৮০-১০০ টাকা। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জম্য বাজারে এখন পর্যন্ত কোন স্বস্তির খবর মিলছে না। বাজারে কয়েকজন গরীব ও মধ্যবিত্ত মানুষের সাথে কথা বলে জানাগেছে তারা বরাবরই টেনশনে আছে বাজার দাম নিয়ে,কেননা কথা বলার সময় তাদের কন্ঠে কান্নার সুর চোখেজল। তবে বাজারে সরকারের মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে সাধারণ মানুষ মনে করছে মনিটরিং আরো জোরদার করা উচিত এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত।আর সকল প্রকার ব্যবসায়ীরা সহজ ভাবেই বলে দিচ্ছেন আমরা দাম বাড়াইনি আমাদের কেনা দাম বেশি তাই আমরা বাধ্য হয়েই ক্রেতা থেকে দাম একটু বেশি নিতে হচ্ছে। এরই মধ্যে আমার চট্টগ্রাম রেয়াজদ্দীন বাজারের কাচা বাজারের চেয়ে একশো গজের ব্যবধান সদরঘাট কালী বাড়ীর মোড়ে এসে দেখা গেছে রেয়াজদ্দীন বাজারের চেয়ে প্রতিকেজি মাছে ৫০- ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। তারা যার যা ইচ্ছে তারমতো করেই দাম নিচ্ছে ক্রেতার কাছ থেকে।রেয়াজদ্দীন বাজারে যেসব ছোট চিংড়ী মাছ ৬০০ টাকা কেজি একই মাছ সদরঘাট কালীবাড়ি মোড়ে ৮০০ টাকা।এই সদরঘাট কালিবাড়ীর মোড়ে প্রতিদিন কাঁচা বাজার বসলেও সরকারি কোন মনিটরিং কখনোই এখানে কোন অভিযান পরিচালনা করেননি বিধায় ইচ্ছে মতো দাম নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে জানান কয়েকজন ক্রেতা।










