চট্টগ্রাম হালিশহর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় জিয়াউল করিম চৌধুরী স্বপন (৩০)নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। জিয়াউল করিম স্বপন চট্টগ্রাম পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের রশিদাবাদ গ্রামের মৃত এবিএম রেজাউল করিম চৌধুরীর ছেলে বলে জানাগেছে। সে চট্টগ্রাম পাহাড়তলি থানাধীন পোঃ কাস্টম একাডেমী, আলী পাশার বাড়ীর শ্যামলী আবাসিক এলাকার আনোয়ার মঞ্জিল নামক বিল্ডিং এর ভাড়াটিয়া ছিলেন। এব্যাপারে মৃত্যু জিয়াউল করিম স্বপনের স্ত্রী আকলিমা আকতার বাদী হয়ে চট্টগ্রাম হালিশহর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন।
মৃত্যু স্বপনের স্ত্রী আকলিমা আকতারের দেওয়া হালিশহর থানার এজাহার সূত্রে জানা যায়,গত ২৫.০২.২০২৪ তারিখ সকাল ৬.৩০ মিঃ এর সময় প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজ পড়ে রাস্তায় হাঁটতে বের হয়ে হালিশহর থানাধীন চৌধুরী প্লাজা ওয়ালটন প্লাজার এইচ এস রোডের পাশদিয়ে হালিশহর ফইল্লাতলী বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন এমন সময় একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা তাকে পিছন থেকে স্বজোরে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় আহতাবস্থায় ফেলে দ্রুত হালিশহর ফইল্লাতলী বাজারের দিকে চলে যায়।এমন অবস্হায় স্হানীয় আশপাশের লোকজন রাস্তায় আহত মৃত জিয়াউল করিম স্বপনকে প্রথমে হালিশহর আল মানাহিল হাসপাতালে অজ্ঞান অবস্হায় ভর্তি করে তার স্ত্রী আকলিমার কাছে ফোন দেন।খবর পেয়ে তার স্ত্রী স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে তাকে আংশকাজনক অবস্হায় জ্ঞানহীন অবস্হায় দেখতে পান।এরপরে তারা দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করলে চিকিৎসকরা রোগীর অবস্হা খারাপ বিধায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দিলে তিনিও তার স্বজনরা দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দিলে তিনিও তার স্বজনরা দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে গেলে হাসপাতালে কোন সিট খালি না পেয়ে তাকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ৩৮ নাম্বার ব্যাডের আইসিইউর ভর্তি করান।এখানেও রোগীর কোন উন্নতি না দেখে পরে মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে থাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ তে লাইভ সাপোর্টে রাখা হয়।আহত হওয়ার পরপর আকলিমা বাদি হয়ে হালিশহর থানায় এজাহার দিলেও হালিশহর থানা এখনো ঐ অজ্ঞাতনামা ব্যাটারি চালিত রিক্সা চালকের খোজঁ পায়নি বলে জানা গেছে।এইদিকে ০৮.০৩.২৪ ইং
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ সাতদিন লাইভ সাপোর্টের অজ্ঞান অবস্হায় থাকার পর গতকাল দুপুরে জিয়াউল করিম চৌধুরী স্বপনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
এই বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হালিশহর থানার এসআই গফুরের কাছে জানতে তিনি জানান- মামলা হয়েছে আসামী সনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি অতি শীঘ্রই আশা করি আসামীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।এব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
সশরীরে হালিশহর বড়পোল এলাকার গিয়ে দেখা গেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ব্যাটারি চালিত আটো রিক্সা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও হালিশহর বড় থেকে দুইশোর বেশি আটো রিক্সা চলছে একেবারে প্রশাসনের সামনে।কয়েকজন রিক্সা চালকের সাথে ও স্হানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় আলাউদ্দিন ও সানাউল্লাহ নামের দুই ব্যক্তি দিনে প্রতি রিক্সা থেকে ৫০ টাকা করে চাঁদা নিয়ে টোকেনের মাধ্যমে প্রশাসনের সহযোগীতার এসব রিক্সা চালায়।