
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার শিবনগরে মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে ডিসি ইকো পার্ক।
ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, জমিদার শ্রী নফর চন্দ্র পাল ১৮৯৫ সালে ১২৮ একরের উপরে আম কাঠালে বাগান তৈরি করে। ১৯৪০সালে তিনি মারা গেলে তার দুই পুত্র ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারতে চলে যায়। পরবর্তীতে জায়গাগুলো সরকারি মালিকানে চলে আসে। দীর্ঘদিন পরিচর্যার অভাবে বাগানটি নষ্ট হতে বসেছিল। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনার মোঃআব্দুস সামাদ এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালের দিকে ডিসি ইকো পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে পার্কটি আরো আকর্ষণীয় করার জন্য ২০ই জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ ও বিভাগের মহাপরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন এবং খুলনা বিভাগের ১০ জন জেলা প্রশাসক নিয়ে ডিসি ইকো পার্কের গেস্ট হাউস উদ্বোধন করা হয়।
বাগান ও লেক নিয়ে বর্তমানে ১২৮ একর জমির উপর এই ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠিত। রাস্তার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রাস্তার দু’ধারে সারি সারি তালগাছ অন্যতম আকর্ষের বিষয়। সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ১১৩প্রজাতির জন্য ১২ হাজার ৩৭টির অধিক ফলজ ও ঔষধি গাছ রয়েছে। বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন রাইডে এ চলার ব্যবস্থা ও বানর হুনুমান দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। নৌকা ভ্রমন ময়ূরপঙ্খীতে চড়া সহ মাঝির সুরেলেরা কন্ঠে গান শোনার ব্যবস্থা সেই সাথে ৩০ থেকে ৩৫ প্রজাতির বিলুপ্ত পায় গোলাপ ফুল এই পার্কে আসলে দেখতে পাবেন।আছে লজ্জাবতী গাছ যেখানে স্পর্শ করলেই লজ্জাবতী নারীদের মত লজ্জায় পাতাগুলো বুঝে যায়। কনফারেন্স করার একবারে পাঁচ হাজারের লোকের গেস্ট হাউস ও পিকনিক করার ব্যবস্থা আছে এই ইকো পার্কে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে মাত্র ২০ টাকা টিকিট কেটে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।তাই অনেক ভ্রমণ পিপাসু আছেন যারা মেহেরপুর মুজিবনগর,আট কবর, দেখতে আসেন কিন্তু আট কবর থেকে মাত্র আধা কিলো দূরে অবস্থিত এই ডিসি ইকো পার্ক। একটুর জন্য হলেও এই ইকো পার্কে না আসলে অবশ্য মিস করবেন প্রকৃতির আসল সৌন্দর্য।চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার শিবনগরে মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে ডিসি ইকো পার্ক।
ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, জমিদার শ্রী নফর চন্দ্র পাল ১৮৯৫ সালে ১২৮ একরের উপরে আম কাঠালে বাগান তৈরি করে। ১৯৪০সালে তিনি মারা গেলে তার দুই পুত্র ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারতে চলে যায়। পরবর্তীতে জায়গাগুলো সরকারি মালিকানে চলে আসে। দীর্ঘদিন পরিচর্যার অভাবে বাগানটি নষ্ট হতে বসেছিল। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনার মোঃআব্দুস সামাদ এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালের দিকে ডিসি ইকো পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে পার্কটি আরো আকর্ষণীয় করার জন্য ২০ই জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ ও বিভাগের মহাপরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন এবং খুলনা বিভাগের ১০ জন জেলা প্রশাসক নিয়ে ডিসি ইকো পার্কের গেস্ট হাউস উদ্বোধন করা হয়।
বাগান ও লেক নিয়ে বর্তমানে ১২৮ একর জমির উপর এই ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠিত। রাস্তার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রাস্তার দু’ধারে সারি সারি তালগাছ অন্যতম আকর্ষের বিষয়। সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ১১৩প্রজাতির জন্য ১২ হাজার ৩৭টির অধিক ফলজ ও ঔষধি গাছ রয়েছে। বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন রাইডে এ চলার ব্যবস্থা ও বানর হুনুমান দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। নৌকা ভ্রমন ময়ূরপঙ্খীতে চড়া সহ মাঝির সুরেলেরা কন্ঠে গান শোনার ব্যবস্থা সেই সাথে ৩০ থেকে ৩৫ প্রজাতির বিলুপ্ত পায় গোলাপ ফুল এই পার্কে আসলে দেখতে পাবেন।আছে লজ্জাবতী গাছ যেখানে স্পর্শ করলেই লজ্জাবতী নারীদের মত লজ্জায় পাতাগুলো বুঝে যায়। কনফারেন্স করার একবারে পাঁচ হাজারের লোকের গেস্ট হাউস ও পিকনিক করার ব্যবস্থা আছে এই ইকো পার্কে।
পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে মাত্র ২০ টাকা টিকিট কেটে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।তাই অনেক ভ্রমণ পিপাসু আছেন যারা মেহেরপুর মুজিবনগর,আট কবর, দেখতে আসেন কিন্তু আট কবর থেকে মাত্র আধা কিলো দূরে অবস্থিত এই ডিসি ইকো পার্ক। একটুর জন্য হলেও এই ইকো পার্কে না আসলে অবশ্য মিস করবেন প্রকৃতির আসল সৌন্দর্য।










