পাইকগাছায় ভাড়াটিয়া কতৃক জবরদখল ও প্রতারণার অভিযোগ

পাইকগাছায় জনৈক রহমান ও রশিদের বিরুদ্ধে ভাড়াকৃত জমির ভাড়া না দিয়ে জবরদখল ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন বাতিখালী ০৮ নং ওয়ার্ড এর স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালেক।

সোমবার (২৬ শে ফেব্রুয়ারী) সরেজমিন অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, মৃত শামসুর গাজীর পুত্র আব্দুর রহমান ও মৃত হাজের মোল্লার পুত্র রশীদ মোল্লা প্রায় ৭/৮ বছর ধরে পাইকগাছা পৌর সদরের ৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ ওয়াবদা সংলগ্ন স্থানীয় জি এম আব্দুল খালেক এর কাছ থেকে ঘর ভাড়া নিয়ে জ্বালানি কাঠের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। উভয়ই প্রতি মাসে নির্ধারিত ভাড়ার টাকা পরিশোধ পূর্বক উক্ত ব্যবসা শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করে আসছিল।এমতাবস্থায়, সম্প্রতি রহমান ও রশিদ উক্ত জমি ঘরের দাবীদার স্থানীয় আব্দুল খালেককে ভাড়ার টাকা পরিশোধ না করে উল্টো তাল-বাহানা ও জমি জবরদখল এর পায়তারা করছে মর্মে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়াও তাকে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করার লক্ষে ভুল তথ্য দিয়ে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার পূর্বক মানহানি করার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীর পুত্র নাহিদুল এহসান মিলন।উল্লেখ্য, এই জমি নিয়ে কিছুদিন আগে রহমান আদালতের আশ্রয় নেন। আদালতে আঃ রহমানের আনিত অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হয় এবং আব্দুল খালেক এর পক্ষে রায় প্রদান করেন। এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা এ প্রতিনিধিকে জানান, আঃ রহমান ও রশিদ আমাদের জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে জ্বালানি কাঠের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি লোভের বশবর্তী হয়ে ভাড়ার টাকা না দিয়ে উল্টো জমি জবরদখল এর চেষ্টা ও প্রতারণা করছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন সহ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছে। উপরে উল্লেখিত বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মৃত আব্দুল ওয়াজেদ এর স্ত্রী রেনুকা ওয়াজেদ মোল্লা বলেন, খালেক নায়েবের স্ত্রী ঘর করে রহমান গংদের কাছে ভাড়া দিয়েছে। এদিকে আঃ রহমান সাংবাদিকদের কাছে জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে খালেক নায়েব কে ঘর ভাড়া প্রদান করে আসছেন। সম্প্রতি ভাড়া দিতে ব্যর্থ হলে খালেক নায়েব ঘর থেকে নেমে যেতে বলেন। এজন্য তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বহাল তবিয়তে থাকবার নির্দেশ পেয়েছেন।এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহ জালাল জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং কাওকে কোথাও থাকবার জন্য বলেননি।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031