জামাল উদ্দীন কক্সবাজার প্রতিনিধি:গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ১১.১০ ঘটিকার সময় র্যাব-১৫, সিপিএসসি,
এ সময় র্যাবের আভিযানিক দলের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দিকবিদিক কৌশলে পলায়নের চেষ্টাকালে তিনজন পাচারকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত পাচারকারীরা তাদের নাম-ঠিকানা প্রকাশসহ পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে উক্ত স্থানে ভোজ্য তেল সয়াবিন, আটা, রসুন ও চিনি মজুদ করছে মর্মে স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত পাচারকারীদের হেফাজত হতে সর্বমোট ৫৩টি বস্তায় ২,১২০ লিটার ভোজ্য সয়াবিন তেল, ১৭টি বস্তায় ৮৫০ কেজি আটা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে), ১৫টি বস্তায় ৭৫০ কেজি চিনি (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে) এবং ১২টি বস্তায় ৪৮০ কেজি রসুন (প্রতি বস্তায় ৪০ কেজি করে) উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ টাকা)।
৫। গ্রেফতারকৃত পাচারকারীদের বিস্তারিত পরিচয় :
১) কবির আহমদ (৫৩), পিতা-মৃত আব্দুর রহমান, সাং-কাহারঘোনা, ৪নং ওয়ার্ড, সরল ইউনিয়ন, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম।
২) আবু তাহের (৫০), পিতা-মৃত হাসন আলী, সাং-কুতুবজোম, ৪নং ওয়ার্ড, মহেশখালী পৌরসভা, থানা-মহেশখালী, জেলা-কক্সবাজার।
৩) মোঃ তৈয়ব (২৪), পিতা-মৃত শরীফ, সাং-সুতাতলী, ৩নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার।
৬। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এই পাচারের সাথে জড়িত। সাম্প্রতিক সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশে যুদ্ধাবস্থার কারণে দেশটিতে তৈল, ঔষধ ও খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ব্যাপক ঘাটতি এবং দ্রব্যমূল্যের প্রচন্ড উর্ধ্বগতি হওয়ায় গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর-পরস্পরের সহযোগীতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানী ও ডিলারদের নিকট থেকে পাইকারি দামে ভোজ্য তৈল, রসুন, আটা এবং চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয় করে প্রাথমিক পর্যায়ে নিজেদের হেফাজতে মজুদ করতো। পরবর্তীতে তারা আর্থিকভাবে অধিক লাভবান হওয়ার জন্য কম মূল্যে ক্রয় ও মজুদকৃত পণ্য সামগ্রী উচ্চ দামে কক্সবাজার জেলার সমুদ্রের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে আসছিল বলে জানা যায়।
৭। গ্রেফতারকৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।