দুই গ্রামের পূর্বের গোলযোগের জেরে গ্রামের মসজিদের মাইকে লোকজন ডেকে মারামারির জন্য একত্রিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার জেলার আলমডাঙ্গা হারদী ইউনিয়নে গোপালদিয়াড় গ্রামের ও একই উপজেলার ভাংবাড়ি ইউনিয়নে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের সেবা বাগ বাজারে এই ঘটনায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় সেবাবাগ বাজারে গোপালদিয়াড় ও বাশবাড়িয়া দুই গ্রামবাসীর এ সংঘর্ষ ঘটে। মসজিদের মাইকে লোকজন ডেকে মারামারির জন্য একত্রিত করার অভিযোগ উঠেছে বাঁশবাড়িয়া গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে।সোমবার বিকেলে হাটবোয়ালিয়া বাজারে বাশবাড়িয়া গ্রামের ইমরানের সাথে গোলযোগ বাঁধে গোপালদিয়াড়ের এনামুলে। এক পর্যায়ে তাদের ভেতর হাতাহাতির সৃষ্টি হয়। হাটবোয়ালিয়া বাজারের লোকজন তাদের দুজনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনা এনামুল ও ইমরান তাদের গ্রামে জানায়। দুজনের পরিবারের লোকজন গিয়ে তাদেরকে নিয়ে আসে। পরে ইমরানকে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় গোপালদিয়াড় গ্রামবাসী সেবাবাগ বাজারে গ্রামে ইমরানকে আটকায় অভিযোগ করেছে বাশবাড়িয়ার নান্নু। এ সংবাদ শুনে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মসজিদের মাইকে মাইকিং করে দিয়ে মারামারির জন্য লোকজনকে একত্রিত করে গোপালদিয়াড়ের লোকজনের মারতে যায় তারা। সে সময় উভয় গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে ওসমানপুর ক্যাম্প ও হাটবোয়ালিয়া ক্যাম্প পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়। গোপালদিয়াড় গ্রামবাসীর পক্ষে আহতরা হলেন জামাত আলীল ছেলে আশিক (২৫), মৃত আজগর আলীর ছেলে চাঁদ আলী(৫০), শুকুর আলীর ছেলে ইকলাচুর রহমান(৩৫), আক্তার আলীর ছেলে সাহাবুল হক(৪০) ও আব্দুল বারেক আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম(৪৫)।
বাঁশবাড়িয়া পক্ষের আহত ৩ জন হচ্ছেন ইউনুচ আলীর ছেলে নান্নু(৩৫), মহিদুল ইসলামের ছেলে জীবন আলী(২৮) ও মুত ফাকের আলীর ছেলে ইউসুচ আলী(৬০)।দুই গ্রামের এ সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই এলাকায় পুলিশের সতর্ক টহল অব্যাহত রয়েছে।