পল্লী উন্নয়ন প্রজ্ঞাপনে ইউপি চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল বরখাস্ত।
চুয়াডাঙ্গায় আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী সহিংসতায় নৌকার সমর্থক নিহত মামলায় আসামি নাগদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুলকে সামরিক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত সোমবার (৫-২-২০২৪)বাংলাদেশ সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়,সরকার বিভাগ ইউপি-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার স্বাক্ষরিত ৪৬.০০,১৮০০,০১৭,২৭.০০২,২০-৯০ নম্বর প্রজ্ঞাপনে এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল কে চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলাধীন ১১ নং নাগদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত জিয়ার মামলা নং-৪৯/২০২৩ এর অভিযোগ পত্র বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক গত ৯/১০/২০২৩ তারিখে গৃহীত হওয়া স্থানীয় সরকার( ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(১)ধারা অনুযায়ী জেলা প্রশাসক, চুয়াডাঙ্গা ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন।এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল এর বিরুদ্ধে উল্লেখিত অভিযোগে তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ সমীচিন নয় মর্মে সরকার মনে করে । সেহেতু নাগদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল কর্তৃক সংঘটিত কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদ সহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(১)ধারায় অপরাধ সংগঠিত করায় উল্লেখিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে চেয়ারম্যান পদ হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে জনস্বার্থে জারি করা হলো অবিলম্বে কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য,গত বছর ১১ মার্চ আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণার সময় আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী- সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক জহুরুল নগর গ্রামের আত্তাব মন্ডলের ছেলে দবির উদ্দিন, খবির উদ্দীন, আনিস ও একই গ্রামের ইসলাম লস্করের ছেলে মিয়া সহ বিদ্রোহী প্রার্থীর কয়েকজন কর্মী সমর্থক আহত হন। এ ঘটনায় আহত দবিরের ছেলে খোকন ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা করেছিল। এরপর ১৩ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ মার্চ শুক্রবার সকাল দশটায় দবিরের মৃত্যু হলে, মামলাই হত্যা মামলার ধারা যুক্ত হয়। পরে পুলিশ চার্জশীট দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক নয় অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জিআর ৪৯/২০২৩ মামলাটি গৃহীত হয়।










