
শীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কতটুকু লাভবান হচ্ছে শিক্ষার্থীরা..?
মাঘ মাসের শুরু থেকেই জেঁকে বসেছে শীতের প্রখরতা। শীত যেন কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না। শীতের প্রোকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন আর তা হলো, তাপমাত্রা ১০° সেলসিয়াস এর নিচে নামলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ থাকবে পাঠদান। আর তাই আজ বেশ কয়দিন যাবৎ বন্ধ আছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণির পাঠদান। তবে যে উদ্যেশ্যে পাঠদান বন্ধ করা হয়েছে তা কি যথাযথ মানা হচ্ছ? এই প্রশ্নটি অনেকেরই মনে। তবে এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে আমরা বেশ কয়েকটি প্রাথমিক স্কুলে ও মাধ্যমিক স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বাসাই গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে গিয়ে দেখলাম সকার ৯ টার পর কোন শিক্ষার্থীদের ই বাড়িতে পাওয়া যায় নি সবাই বিভিন্ন খেলাধুলা করছে আবার কেউ বাড়ির পাশে দোকানের মাচাই বসে মোবাইলে গেমস খেলছে। অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত টি পুরোপুরিভাবে সঠিক হয় নি কারন, আজ কয়দিন প্রচন্ড শীত পড়ছে ঠিক ই কিন্তু সকাল সাড়ে ৮ টার পর পরই সুন্দর ঝলমলে রোদ উঠছে। সারাদিন একটানা রোদ পড়ছে, আর রোদের তাপমাত্রাও এত যে, রোদে বেশিক্ষণ দাড়ানো পর্যন্ত যাচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীদের শুধু শুধু পড়াশুনা ব্যাহত হচ্ছে। তাদের দাবি স্কুলে গেলে অন্তত আমাদের ছেলে মেয়েরা একটা রুমের মধ্যেই আবদ্ধ থাকে কিন্তু বাড়িতে তারা না থেকে সারাদিন এদিক ওদিক খেলাধুলা করে বেড়াই পড়াশুনাও ঠিক মত করে না। তাই অধিকাংশ অভিভবকদের একটাই অভিমত এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন এর পর আবার এসব কারনে পুরোপুরি স্কুল বন্ধ না রেখে প্রয়োজনে স্কুলের সময় সংক্ষিপ্ত বা সময়ের পরিবর্তন ঘটিয়ে পাঠদান টা ঠিক মত চালানো যায় কি না এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রনালয় কে ভাবতে অনুরোধ করেন।










