কাউখালী উপজেলায় ৪নং চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানা পুলিশ নিলতী গ্রামের আশ্রাফ আলী খানের ছেলে মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৩) ও পারসাতুরিয়া গ্রামের মোসেলিম আলী হাং এর ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান(২৪)কে মাদক গাঁজা বহনের সময় আটক করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লা এবং উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী থানার সাব ইন্সপেক্টর মোঃ জামান, মোঃ কামরুল ইসলাম বাবু অশোক চন্দ্র সহ কনস্টেবল রুহুল আমিন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন-এই বয়সে যুবকেরা ভবিষ্যতের চিন্তাভাবনা করে লেখাপড়ায় মন দেয়া সহ পরিবারের সহযোগিতা অথবা ছোটখাটো ব্যবসা জড়িত থাকার কথা অথচ তাদের মাদকে গ্রাস করেছে, এই প্রজন্ম আগামী দিনের ভবিষ্যৎ যারা দেশকে সুরক্ষা এবং মাদক মুক্ত ও অন্যায় অপরাধ থেকে দূরে থাকবে, অথচ বর্তমানে মাদক দুর্নীতি অন্যায় চাঁদাবাজি কিশোর গ্যাং সহ ইভটিজিং এ জড়িত হয়ে পড়ছে। তরিকুল ও মিজানুর রহমান দুই যুবক নিজের ভুল বুঝতে পারলেও অপরাধ ও আইনের কারণে ৬ মাসের কারাভোগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন আসুন আমরা সবাই মিলে মাদককে না বলি মাদকমুক্ত দেশ গড়ি।।
এছাড়াও কাউখালী উপজেলায় ২নং আমড়াজুরি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মাগুরা গ্রামে নাদিরা আক্তার (১৩) পিতা রাসেল খান, ৫শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রীকে একই গ্রামের ওমর ফারুক (২৫) পিতা মোঃ ফরিদ হোসেনকে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। সংবাদকর্মীরা ধর্ষিতা নাদিরার পিতা/মাতার সাথে কথা বলে জানতে পারে, ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেম এবং শারীরিক সম্পর্ক চলমান, মেয়ের পিতা রাসেল খান-মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে শাসনসহ বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, কিন্তু বিষয়টি গত ১১ তারিখ বৃহস্পতিবার, তাদের অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিবেশী ও সমাজের চোখে পড়ে যাওয়ায় মেয়ের পিতা-মাতা নড়েচড়ে বসেন এবং অপরাধ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে আজ ১৩/০১/২৪ তাং শনিবার প্রতিবেশীসহ সংবাদকর্মীদের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। বর্তমানে অভিযুক্ত ওমর ফারুক ও ভিকটিম নাদিরা আক্তার কাউখালী থানা পুলিশ হেফাজতে আছেন।