
চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের দিলীপ কুমার ৭২,৬৬৮ ভোট পেয়ে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা শহরের সাবেক পান্না সিনেমা হল প্রাঙ্গণে নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও ৭২,৬৬৮ ভোট পেয়ে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে নৌকা প্রতীকের কাছে পরাজিত হন। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও তিনি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রতিও ধন্যবাদ জানান। তার কর্মী-সমর্থক এবং সাংবাদিকদেরকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে দিলীপ কুমার আগরওয়ালার তিনি এ কথা বলেন।
তার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যই বলেন আমি চুয়াডাঙ্গাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রথমবার এসেই আমি যে ভালোবাসা পেয়েছি, যে সমর্থন পেয়েছি, যে ভোট পেয়েছি, সত্যিই আমি কৃতজ্ঞ। ৭২ হাজার ৬৬৮ জন ভোটার আমাকে ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। ২ লাখ ৩৫,৮১৭ ভোটার নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশগ্রহন করেছেন। সকল ভোটারকে আমি শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সারা দিয়ে ভোট কেন্দ্রে এসেছেন। নির্বাচনকে উৎসবমূখর করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রিটার্নিং অফিসার, ডিসি সাহেব সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এসপি সাহেবসহ পুলিশ প্রশাসনের সকলের চেষ্টা সর্বোচ্চ ছিলো। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে যারা জড়িত ছিলো সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা যারা নির্বাচনের নিউজ কভারেজ দিয়েছেন। অনেক কষ্ট করেছেন আপনারা। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এতো বড় নির্বাচনে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এটা স্বাভাবিক। এর বাইরে আমার কাছে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে।
তিনি এছাড়া আরো বলেন
নৌকা প্রতীক নিয়ে সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন কাকু বিজয়ী হয়েছেন, আমি তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কাকুর সকল ভালো কাজের সাথে আমি আছি। আমি আমার যায়গা থেকে কাকুর সকল প্রকার ভালো কাজে আছি। কাকুকে বলবো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ এর অংশ হিসেবে স্মার্ট চুয়াডাঙ্গা গড়ার ক্ষেত্রে আমার যদি কোন সহযোগিতা আপনার প্রয়োজন হয়, জানাবেন, পাশে থেকে সহযোগিতা করবো। নির্বাচন শেষ হয়েছে, এই নির্বাচনে আমরা যারা অংশগ্রহন করেছি সবাই নৌকার কর্মী। সবাই আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য। এই নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত অংশগ্রহন করে নাই। নির্বাচনে আমরা প্রতিদ্বন্দীতা করেছি। নির্বাচন শেষ হয়েছে, সবাই আমরা এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সৈনিক। শেখ হাসিনার সৈনিক। নির্বাচন পরবর্তী শান্তিপূর্ণ চুয়াডাঙ্গা গড়ার জন্য আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি আশা করবো আপনি নজর দিবেন। আমি কাকুকে আজ স্বশরীরে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবো। সবাই মিলে আমরা আগামীর চুয়াডাঙ্গা গড়বো। চুয়াডাঙ্গার ভবিষৎ প্রজন্ম যাতে আমাদের নিয়ে গর্ব করতে পারে। আমাদের প্রত্যেকের জায়গা থেকে সেই কাজটি করতে হবে। সকল নেতাকর্মীসহ আমার নির্বাচনী টীমের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। আমরা একটা পরিবার হিসেবে আছি, পরিবার হিসেবে থাকবো। নতুন প্রজন্মকে বলবো চলো এগিয়ে যাই। সামনের দিকে…। ধন্যবাদ সবাইকে।”










