
অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন চুয়াডাঙ্গা ১ও ২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী।
অবশেষে চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থীও নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষনা দিলেন। চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী ভবনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আকস্মিকভাবে রবিউল ইসলাম নির্বাচন এ ঘোষনা দেন।
এর আগে গত ১ তারিখে চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের প্রার্থী এ্যাডভোকেট সোহরাভ হোসেন দলীয়ভাবে সহযোগীতা না করা, সমন্বয়হীনতার অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বললেও, চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের প্রার্থী রবিউল ইসলাম শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার পক্ষে অটুট ছিলেন। কিন্ত বুধবার (৩ ই জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী ভবনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষনা দেন চুয়াডাঙ্গা জেলার জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থী ।
চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন দুঃখ আর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যখন অনিয়ম, দুর্নীতি একটা আইন হয়ে যায়, সেই মুহূর্তে প্রতিবাদ করা একটা দায়িত্ব বনে যায়।আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান আর মহাসচিব মনোনয়ন দিয়েই ছেড়ে দিয়েছে আমাদের সাথে কোন যোগাযোগ করেন না। দল থেকে কোন নির্বাচনের খরচাপাতি এপর্যন্ত দেয়নি । তারা যে ২৬ জন আছেন সেটা নিয়েই ব্যস্ত। আর আমরা ২৫৭ জন প্রার্থী মহা বিপদে পড়েছি । এবারে চুয়াডাঙ্গায় ত্রিমুখী লড়ায়ে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলছেনা। কেওবা ধর্মীয় স্থানে যেয়ে ভোটার কনভার্ট করছে, কেওবা দলীয় প্রভাব দেখাচ্ছে, আবার কেওবা টাকার গরমে শিকার করছে বাঘা বাঘা নেতা সেখানে আমি অসহায় হয়ে গেছি। আমার যতটুকু টাকা ছিল খরচ করেছি,এখন আর পারছিনা। তাই সরে দাঁড়ালাম। সেই সাথে দলের এমন আচরনে আমি অনুতপ্ত।










