
বাগেরহাটের চিতলমারীতে এ্যালেক্স মানব কল্যান যুব সংঘের উদ্যোগে গতকাল (১৮নভেম্বর) নাজমা বেগম (২৮) নামে এক বিধবা মহিলাকে একটি গবাদি পশু দান করা হয়েছে।
নাজমা বেগমের বাড়ি চিতলমারীর চর বড়বাড়িয়া গ্রামে। তার স্বামীর নাম মৃত- নওশের মোল্লা। তিনি ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হার্টের অসুখে মারা যান। মরে যাবার সময় তিনি ইমরান(১১) ও আমেনা(০৭) নামের দুটি শিশু সন্তানকে রেখে যান। নওশের মোল্লার ইন্তিকালের পর থেকে শুরু হয় নাজমা বেগমের সংগ্রামি জীবন। অপরের বাড়িতে কাজ করে, খেয়ে- না খেয়ে দুটি শিশু সন্তানকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে মানবেতর সজীবন যাপন করছেন তিনি। রিপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায় নাজমা বেগম পুরাতন একটি মেক্সি পরে তার ভাঙা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে রোদ পোহাচ্ছেন; নাই কোন শীত বস্ত্র। আর ছেলে-মেয়ে দুটি জীর্ণ শীত বস্ত্র গায়ে মাটিতে খেলা-ধূলা করছে। “কীভাবে চলছে সংসার” –-এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমা বলেন- ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে অনেক কষ্টে আছি। কোন আয়ের উৎস নাই, কোন সরকারি সাহায্যও পাইনা; একটা কার্ড করে দেবার কথা বললেও তা এখনো সম্ভব হয়নি। সম্বল তিনটি মাত্র পাতি হাঁস। সেগুলোর ডিম বেঁচে, লোকের বাড়িতে ধান-চালের কাজ করে কোনমতে চলে সংসার। অসুস্থ হয়ে ঘরে পড়ে থাকলেও দেখার কেউ নাই। ছেলে-মেয়ে দুটোকে পড়া-শুনার খরচ দিতে পারছিনা-মানুষ করতে পারছিনা।’ পরে, এ্যালেক্স মানব কল্যান যুব সংঘের পক্ষ থেকে একটি গর্ভবতি ছাগল দান স্বরুপ নাজমা বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এ্যালেক্স মানব কল্যান যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব সৌরভ শেখ, এ্যালেক্স বড়বাড়িয়া শাখা কমিটির সহ সভাপতি মোঃ তাইজুল ইসলাম এবং আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাসুম শেখ ও অন্যান্য সাধারণ মানুষ-জন।










