মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজকে
সম্পূর্ণ করতে শেখ হাসিনা নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ কার্যালয় : ১৬ ডিসেম্বর ২৩ খ্রি.যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ। দিবসটি উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে বিকাল ৪টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ। এসময়ে বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারি।
সভাপতির বক্তৃতায় শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ নামক স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান আর দুই লক্ষ্য মা বোনের ত্যাগের এবং কোটি বাঙ্গালীর আত্মনিবেদন ও গৌরবগাঁথা গণবিরত্বে পরাধীনতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পায় বাঙালি জাতি। তিনি আরো বলেন, দেশ আজ গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজকে সম্পূর্ণ করতে শেখ হাসিনা নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ বারের মতো প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। সে লক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার প্রার্থীদেরকে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করতে তিনি সকলে প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জোবায়ের আহম্মেদ খান জবার পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, আব্দুস সালাম মুর্শিদি এমপি, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, বি এম এ ছালাম, মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, সরদার আবু সালেহ, এমএ রিয়াজ কচি, শেখ মো. রকিকুল ইসলাম লাবু, কাজী শামীম আহসান, মোজাফফর মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোখলেসুর রহমান বাবলু, অধ্যক্ষ ফ ম ছালাম, বুলু রায় গাঙ্গুলী, পাপিয়া সরোয়ার শিউলি, শাহিনা আক্তার লিপি, মোঃ আজগর বিশ্বাস তারা, মোঃ জামিল খান, সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, মোঃ মানিকুজ্জামান অশোক, শেখ মোঃ আবু হানিফ, ইঞ্জিঃ মাহফুজুর রহমান সোহাগ, এম এম আজিজুর রহমান রাসেল, মোতালেব হোসেন, এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, মনোয়ারা শিউলি, ইঞ্জিঃ বরকত, হাজি সাইফুল ইসলাম খান, মোঃ ইমরান হোসেন, অজিত বিশ্বাস, রবিন্দ্রনাথ দত্ত, মো রকিব উদ্দিন, জয়দ্রথ বাছাড়, আলমগীর মল্লিক, রিনি বেগম, এ্যাড. পলাশী মজুমদার, নিরুপমা গোলদার, নাসরিন, আশালতা ঢালি, সঞ্চিতা রায়, সোমা আজিজ, আকলিমা বেগম, পাখি বেগম, সৈয়দ নাসির হোসেন সজল, সৈকত আহম্মেদ জন, বিধান চন্দ্র রায়, আবু আহাদ হাফিজ বাবু, আরমান মিয়া, এ্যাড শেখ আঃ রশিদ, শাহনেওয়াজ মাগদুম, মান্নান খান মনা, মারুফ হোসেন, আমিরুল মোমেনীন রানা, দ্বিপ পান্ডে, সে এম তানভীর রহমান আকাশ, হুমায়ুন কবির, চিশতি নাজমুল বাশার সম্রাট, মো. কবিরুল ইসলাম, শেখ রাসেল, পলাশ রায়, শেখ আশফাকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সাইফ, আবিদ হাসান ফাহিম, আফ্রিদি, টুটুল তামিম, সোহান, সাদ্দাম বাধন, সজিব,তাইম, রাজিব প্রমূখ।
এর আগে সকাল ৭টায় গল্লামারী বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জেলা পরিষদ চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়।