
চট্টগ্রাম পটিয়ার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের দ্বারক গ্রামের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধনকৃত "দ্বারক প্রগতি সংঘ"১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত উক্ত সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ক্রীড়া গ্রামের সামাজিক নানাবিধ সমস্যা সমাধান করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।তারই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্তৃক প্রদানকৃত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা সামাজিক বনায়ন করার জন্য ক্লাবের নামে সরকারি দুইশত চারা বরাদ্দ করে।পরে এইগুলো দ্বারক গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ক্লাবের সদস্যদের উদ্দেশ্যে রোপণ করে বিগত বিশ বছর ক্লাবের তদারকির মাধ্যমে অনেক বড় বড় হয়ে পরিবেশ রক্ষাও এলাকার সৌন্দর্য বর্ধন করেছেন।গত কিছুদিন থেকে গ্রামের কিছু দুষ্কৃতকারী গাছ গুলো কেটে ফেলার পায়তারা করছে এমন খবর প্রগতি সংঘের সদস্যরা কাশিয়াইশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব আবুল কাসেমকে জানালে উনি যেহেতু ক্লাবের মাধ্যমে সরকারি রাস্তায় সরকার প্রদত্ত গাছ রোপণ করে বড় হয়েছে সেহেতু উনি এই ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করতে বলেন এবং ঐ আবেদনে চেয়ারম্যান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইউএনও মহোদয়কে সুপারিশ করেন।এই খরচ দুষ্কৃতকারীরা পাওয়া মাত্রই রাতারাতি গাছগুলো কেটে স্তুুপ করে রাস্তার পাশে খামাল করে রাখেন।
এই অবস্হায় পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় যারা গাছ কেটেছেন এবং যারা ক্লাবের সদস্য তাদের উপয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে মীমাংসা করার জন্য পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেন এবং ইউএনও মহোদয় সিদ্ধান্ত দেন যে,কাটা গাছগুলো যেখানে যে অবস্হায় আছেন ঐ অবস্হায় থাকবে এবং ঐ ওয়ার্ডের স্হানীয় ইউপি সদস্যকে একসপ্তাহের মধ্যে পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়।কিন্তু এরমধ্য ইউপি সদস্য ইউএনও মহোদয়কে প্রতিবেদন দেওয়ার আগেই কারো সাথে কোন প্রকার আলাপ আলোচনা না করে ইউএনও মহোদয়ের কথা ও চেয়ারম্যানের কথা অমান্যতা করে এক প্রকার লুট করে গাছগুলো কেটে বিক্রয় করে বিক্রয়কৃত টাকা ঐ দুষ্কৃতকারীরা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে নিয়েছেন।এই ব্যাপারে দ্বারক দারক প্রগতি সংঘ এর একাধিক উপদেষ্টা সাধারণ সম্পাদক সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা সকলের বক্তব্য একটাই আমাদের ক্লাবের রোপণকৃত সরকারি রাস্তা গাছ যদি কোন কারনে কাটার প্রয়োজন হয় তাহলে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমিত সাপেক্ষ সরকারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মনোনীত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে কাটবে এবং গাছের বিক্রয়কৃত টাকা হয় সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা করবে বা ক্লাবের জেনারেল মিটিং ডেকে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করে সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমিত নিয়ে ক্লাবের তহবিলে জমা করবে এটাই নিয়ম।
এখন এসব চিহ্নিত দুষ্কৃতকারীরা সকল আইনকানুনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গাছগুলো লুট করে নিয়ে বিক্রয় করে টাকা ভাগাভাগি করে নিয়ে।এই ব্যাপারে এখন কি করবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টাও প্রতিষ্ঠাতার অন্যতম কয়েকজন বলেন আমরা সরকারি প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রেখে আগামীকাল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক,জেলা পুলিশ সুপার,পটিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা,পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কাশিয়াইশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিবো তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।এই ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য অভিযোক্ত( দুষ্কৃতকারী) যাদের বলা হচ্ছে তাদের কাউকে মোবাইল পাওয়া যায়নি।বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত খরব অনুযায়ী ঐখানে ক্লাবের রোপণকৃত সরকারি রাস্তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার গাছ তারা কেটে বিক্রয় করে টাকা ভাগবাটোয়ারা করেছেন।