দূবলার চরে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের পূজা, ও রাসলীলা উৎসব

দূবলার চরে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের পূজা, ও রাসলীলা উৎস

 

 

খুলনা বিভাগের, বাগেরহাট জেলা শরণ খোলা, রেঞ্জে সুন্দরবন শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও ২৬ নভেম্বর রবিবার পূর্নিমার তিথিতে পূজা শুরূ। প্রাচীন কাল থেকে সুন্দরবনে রাসলীলা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

হাজারো ভক্তবৃন্দ ২৫ নভেম্বর ভোর ৬ বিভিন্ন রুটে, ডাংমারি, চাদপাই রেঞ্জ এর স্টেশন কর্মকর্তার শুত্রে ৩ শত ৫৬ টি টলারের কাজ থেকে রাজস্ব আদায় পূর্বক অনুমতি দেওয়া হয়।পুর্নার্থীদের নিরাপত্তা ও বন নিরাপত্তা হিসাবে ফরেস্টারের পাশাপাশি অতিরিক্ত, র‍্যব,কোসগার্ড,ষ্টুরিশ পুলিশ সহ বিভিন্ন বাহিনি নিয়োজিত আছে।পুন্যস্নানের সময় ২৭ নভেম্বর ভোর ৫ টা সময়। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে সাগর পাড়ে পূজা, সমুদ্র পাড়ে বিভিন্ন ঘাটে পুজা ,শনাতনিদের যেমন বড় উৎসব দুর্গাপুজো ,,, তেমনি সনাতনি সম্প্রদায়ের মানুষের এই শ্রীকৃষ্ণের পুজা হলো শ্রেষ্ঠ পুজো। সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন এই পুজাটির জন্য এবং অনেকে মানত করেও থাকেন এই শ্রীকৃষ্ণের পূজায়। আর আজকের দিনে তারা সেই মানত শোধ করতে আসেন,সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগরে আসেন, বিভিন্ন রকম উপকরণ দিয়ে গঙ্গা মাকে পূজ করে ,,তারা নিজেদের মতো সাগর জলে নেমে তর্পণ সারেন, আর শ্রীকৃষ্ণের রস পুজার বিশেষ উপকরণ হলো কলা,আখেরগুড়, বাতাসা,ফল সহ বিভিন্ন ভোগ সামগ্রী সাজিয়ে সাগর পাড়ে বসে থাকেন।সমুদ্রের ঢেউয়ে এই প্রসাদ ভাসিয়ে নিয়ে যায়। জানা গেল এটি না হলে কখনোই পুজা সম্পূর্ণ হয় না। দূর-দূরান্ত থেকে পুরুষেরা এমন কি মহিলারাও বাদ্যি বাজনা বাজিয়ে প্রসানের নজর দারির মধ্য দিয়ে সাগরে আসেন, গঙ্গামাকে পুজো দিতে,
আজ বিভিন্ন ঘাটে বিভিন্ন এই পুজোর শুভ সূচনা করেন। একদিকে যেমন বিকাল ৫ টা এই পূজার শুভ সূচনা করেন, এবং সকলকে শুভেচ্ছা জানান,সুন্দরবন আলোর কোল রাস উৎযাপন কমিটির, সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা কামাল হোসেন, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার মধ্য দিয়ে বলেন সবার উৎসব করার চেষ্টা করেন। , এবং এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা ও বিভিন্ন বার্তা দেওয়ার চেষ্টাও করেন।,যিনি প্রতিটি মানুষের কথা ভাবেন মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেন এবং মানুষের সাথে পাশে থাকার চেষ্টা করেন, শ্রীকৃষ্ণের পুজায় এগিয়ে এসেছেন সহযোগিতার হাত বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন মঞ্চ করে তারা বারবার সকলের উদ্দেশ্যে জানান এবং পরিসেবা দেওয়ার কথা বলেন, জল ডাক্তার ঔষধ সমস্ত কিছুই বিনা মুল্লে ব্যবস্থা তারাও করে রেখেছেন এবং বারবার ঘোষণা করছেন যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েন আমাদের এই কার্যালয়ে এসে তারা দেখিয়ে যেতে পারেন আমরা আপনাদের পাশে আছি,,
এর সাথে সাথে প্রশাসনের অফিসার কর্মীরা হিমশিম খেয়ে থাকেন। যত সন্ধ্যে হয়ে আসছে তত উপচে পড়া ভিড় মাঠে ঘাটে ,,এমনকি গঙ্গার ঘাটে,, কিছুটা দূরে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন,,, যাতে কোনভাবে কেউ কোন দুর্ঘটনা ঘটাতেো না পারে এবং সতর্ক দৃষ্টিতে নজর রাখছেন ।
পুজা দিতে আসা পরিবারেরা জানালেন আমাদের কাছে এই পূজাটি হলো সবচাইতে মঙ্গলময় পূজা, আমরা যা চাই আমাদেরকে পূরণ করেন মা গঙ্গা,, এবং আমরা যে সিদুরটি পড়ি সেই সিঁদুরটিও অতি মূল্যবান যা শুধু আমরাই এই সিদুটি ব্যবহার করি,, এবং আমরা মায়ের কাছে বিভিন্ন রকম মানত করে থাকি।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031