
কাউখালীতে নির্যাতিত সুমাইয়ার পাশে মানবিক হাত বাড়ালেন “মোঃ দিপু খন্দকার
পিরোজপুর কাউখালী উপজেলায় স্বামী ও পরিবার কর্তৃক নির্যাতিত গৃহবধুর পাশে মানবিক আশ্রয় সহ আইনের সহযোগিতা করলেন কলেজ পাড়ার ডিস ব্যবসায়ী মোঃ দিপু খন্দকার।
২১/১১/২৩ তাং মঙ্গলবার বিকাল থেকে কাউখালী বিভিন্ন রাস্তায় সুমাইয়া আক্তার নামে একটি মেয়ে হাতে ব্যাগ নিয়ে মলিন মনে হাটা হাটি করতে দেখা যায়, সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে মেয়েটিকে নিয়ে একাধিক জনমনে বিভিন্ন মন্তব্য সৃষ্টি হয়।
কাউখালী সরকারি ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন ডিস ব্যবসায়ী মোঃ দিপু খন্দকার তার মা এবং মানবাধিকার কর্মী মাহফুজা মিলি অতঃপর বাসায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন, সুমাইয়ার বাড়ি নাজিরপুর কালিকাঠিতে, গত ৮ মাস পূর্বে কাউখালী ৫ নং শিয়ালকাঠি বেকুটিয়া আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা বারেক শেখ এর ছেলে মোঃ শামীম শেখের সাথে বিয়ে হয়, বিয়ের কিছুদিন যেতেই সুমাইয়ার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় শশুর বাড়ির পরিবারের সদস্যরা। ইতিপূর্বে উভয়ের পারিবারিক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে বিষয়টি সমাধান হলেও গত কিছুদিন যাবত পুনরায় নির্যাতনের শিকার হয়ে শ্বশুরবাড়ি হতে একটি ব্যাগে ব্যবহারিক কাপড় নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কাউখালীতে চলে আসে। দিপু খন্দকার বিস্তারিত শুনে কাউখালী থানায় অবগত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ইনচার্জ মোঃ জাকারিয়া হোসেন উভয় পক্ষের অভিভাবক উপস্থিত করিয়া ২২ তারিখ বুধবার দুপুরে সুমাইয়াকে ফুপু হেনা বেগমের কাছে তুলিয়া দেন। যেহেতু সুমাইয়া আক্তার তার স্বামী মোঃ শামীম হোসেনের সাথে সংসার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায়, সকলের উপস্থিতিতে সুমাইয়া ফুফুর সাথে নাজিরপুর পিত্রালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। কাউখালীর ওসি মোঃ জাকারিয়া হোসেন তাহাদের যাতায়াতের খরচ দেয়া সহ সুস্থতা কামনা করেন। এহনো মানবিক কার্যক্রমে মোঃ দীপু খন্দকার ও ওসি মোঃ জাকারিয়া হোসেনের মানবিক ভূমিকায় উপস্থিত সকলে প্রশংসা করেন।










