
রাজিয়া নাসেরের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভায় শেখ হারুনুর রশীদ
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ বলেছেন, শেখ রাজিয়া নাসের ছিলেন একজন সাহসী ও মহিয়সী ও রত্মগর্ভা নারী”। ’৭৫ পরর্বতী আ’লীগের দুঃসময়ে খুলনায় আওয়ামী লীগের সংগঠনকে সু-সংগঠিত করতে তিনি নীরবে ভূমিকা পালন করে গেছেন। দলের ক্রান্তিকালে শেরে বাংলা রোডের বাড়িতে বসে তিনি নেতা-কর্মীদের সাথে সাক্ষাৎ করতেন বিভিন্ন পরামর্শ দিতেন । নেতা-কর্মীদের আর্থিকভাবে সহযোগীতা করতেন। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তিনি আমাদের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভালো মন্দ সুখে দু:খে তিনি সব সময় আমাদের খোজ খবর নিতেন । তিনি আর কোনদিন আমাদেও মাঝে ফিরে আসবেন না। কিন্তু তার এসব অবদান আমাদের কাছে আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মৃতি হয়ে থাকবে। তিনি আমাদের মাঝে আজীবন মায়ের আসনে বেচে থাকবেন। শেখ রাজিয়া নাসের সাহসী ও দৃঢ় মনোবলের অধিকারী নারী ছিলেন বলেই তার পক্ষে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছিলো।
স্মরণ সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তার স্বামী শেখ আবু নাসেরকে হত্যার পরে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে অসহায় ও দিশেহারা হয়ে পড়েন। তৎকালীন স্বৈরাশাসক জিয়া সরকার তার ও তার সন্তানদের উপর বিভিন্ন অমানুষিক নিপীড়ন নির্যাতন চালিয়েছেন। কিন্তু তারপরও অসীম সাহস ও মনোবল নিয়ে তিনি একবার খুলনা, একবার পাবনা, টুঙ্গিপাড়া করে বেড়িয়েছেন তার সন্তানদের জীবন বাঁচাতে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতে। সকল বাঁধা ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই তিনি তার সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করেছেন। তারা আজ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছেন দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন এজন্য আমরা আ জিবন মনে রাখবো।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ আবু নাসেরের সহধর্মিনী, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সোহেল উদ্দিন, শেখ জালাল উদ্দিন রুবেল ও শেখ বেলাল উদ্দিন বাবুর মাতা এবং বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় এর দাদী বেগম রাজিয়া নাসের ছিলেন একজন মহিয়সী নারী। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয়ে বেগম রাজিয়া নাসের এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক তাঁদের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
দপ্তর সম্পাদক এম এ রিয়াজ কচির পরিচালনায় স্মরণসভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. এম এম মুজিবুর রহমান, এএফএম মাকসুদুর রহমান, এ্যাড. রবীন্দ্র নাথ মন্ডল, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, বিএমএ সালাম, মো. রফিকুর রহমান রিপন, মো. সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, মো. কামরুজ্ঝামান জামাল, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, সরদার আবু সালেহ, এস এম খালেদীন রশীদী সুকর্ণ, আলহাজ্ব জোবায়ের আহমেদ খান জবা, এ্যাড. নব কুমার চক্রবর্তী, শেখ মো. রকিবুল ইসলাম লাবু, হালিমা ইসলাম, কাজী শামীম আহসান, মোজাফ্ফার মোল্লা, মোকলেছুর রহমান বাবলু, মো. খায়রুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, পাপিয়া সরোয়ার শিউলী, অমিও অধিকারী, মো. জামিল খান, মানিকুজ্জামান অশোক, চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ, ইঞ্জি. মাহফুজুর রহমান সোহাগ, এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, মনোয়ারা খাতুন শিউলী, হাজী সাইফুল খান, ইঞ্জি. বরকত হোসেন, পারভেজ হাওলাদার, সরদার জাকির হোসেন, অজিত বিশ্বাস, মো. হাতেম শেখ, আল মাহমুদ প্রিন্স, হাবিবুল্লাহ বাহার হাবিব, বিধান রায়, কবির আহমেদ মনা, মোল্লা কামরুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সগীর, ফরিদ শেখ, সরদার জসিম উদ্দিন, আবু আহাদ হাফিজ বাবু, দ্বীপ পান্ডে বিশ্ব, আব্দুল মান্নান খান মনা, শাহনেওয়াজ আলী মাগদুম, এ্যাড. শিউলি আক্তার লিপি, শিমু আক্তার, জান্নাতুল হাওয়া শান্তা, এ্যাড. সোনিয়া খাতুন, মাজহারুল আলম সাইমন, মুন্সি সাব্বির হোসেন মিলন, জাকিয়ার রহমান ওমান, আল আমিন এহসান, মৃণাল কান্তি বাছাড়, চিশতি নাজমুল, বাধন হালদার, মো. আমিরুল ইসলাম বাবু, ইসমাইল মৃধা, আবু দাউদ রনি, সাইফুল ইসলাম সাইফ, অনুপ গোলদার, নীলমনিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্মরণ সভা শেষে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মো. জিন্নাহ।










