আলমডাঙ্গায় ৫ দিন ব্যাপী গাংবাড়ি শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে শ্যামা মায়ের পূজার ৪র্থ দিনে আরোতী প্রতিযোগীতা -পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আজ শেষ
আলমডাঙ্গায় ৫ দিন ব্যাপী গাংবাড়ি শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে শ্যামা মায়ের পূজার ৪র্থ দিনে আরোতী প্রতিযোগীতা- পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আজ শেষ হবে। জানা গেছে,হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা (কালী) আলমডাঙ্গা গাংবাড়ি শ্রী শ্রী কালী মন্দির পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিনের গাংবাড়ী মন্দিরে রবিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে শুরু হয়েছে। কার্তিক মাসের অমবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামা পূজা বা কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে হিন্দু পূরাণ মতে কালী দেবী দূর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার কালথ শব্দ থেকে কালি নামের উৎপত্তি।
কালী পূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়ের মধ্যেই রয়েছে কালীপূজার মহাত্ম। কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়া সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা (কালী) রবিবার মধ্য রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কার্তিক মাসের অমবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামা পূজা বা কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।কালী পূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায় সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে, মন্দিরে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছেন। এছাড়াও স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলী।আলমডাঙ্গা গাং বাড়ি কালী মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম কুমার বিশ্বাস লিপন ও সেক্রেটারি অমিত কুমার ভৌতিকা জানান মন্দিরের সাজসজ্জা সম্পূর্ণ করে প্রতিবারের ন্যায় এবারও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা শ্রী শ্রী গাংবাড়ী কালী মাতা মন্দিরে, কালী পূজার আয়োজন করেছি।এদিকে মন্দিরের সভাপতি ও সেক্রেটারি সকলকে দীপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বলছেন শারদীয়া শেষে ফিরে গেছেন উমা উৎসবে মেতেছে শহর ঘরে এসেছে শ্যামা, তাই আমরা কালী মায়ের পূজার সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পূজার সকল ব্যবস্থা সমাপ্ত করে শুরু হয়েছে।এবার মায়ের বাৎসরিক অমাবস্যা পূজা
রাত ১২ টা এক মিনিটে ভক্তদের নিয়ে পুষ্পাঞ্জলি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এরপর সকালে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ১৫৷ নভেম্বর বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আরোতী প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণী ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম কুমার বিশ্বাস লিপন,সেক্রেটারি অমিত কুমার ভৌতিকা।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাংবাড়ি কালি মন্দির কমিটির প্রধান উপদেষ্টা বাবু গিরিধারী লাল মোদি,সূর্য সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা বাবু মনিন্দ্রনাথ দত্ত,বাবু মহেশ কুমার ভৌতিকা, প্রশান্ত অধিকারী,সমীর কুমার কুন্ডু,ডাঃ অমল কুমার বিশ্বাস, সুশান্ত সাহা,শুধাংশ ব্যানার্জী,বিশু ঘোষ।এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সাবেক সভাপতি অসিত কুমার ঘোষ, বিশ্বজিৎ সাধুখা, বিপুল সাহা, বিদ্যুৎ সাহা, পলাশ আচার্য, সুমিত কুমার ভৌতিকা, তন্ময় দে, অর্জুন দত্ত, সাধন মালাকার, উৎপল দত্ত নয়ন সরকার, দেবদাস ওরফে দীপ্তি বাবু,পরিমল কুমার ঘোষ,এসআই লিটন মন্ডল,কাজী রবিউল হক, খ. মজিবুল হক, জহুরুল ইসলাম স্বপন,বিদ্যুৎ কুমার সাহা সহ শত শত ভক্তবৃন্দ। আজ আরতি প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কমিটির পক্ষে যারা অংশ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক তারা নাম নিবন্ধন করবেন। নিবন্ধন করে প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন। ১৭ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ পূজা অর্চনায় শেষ হবে।সার্বিক পরিচালনা করেন তন্ময় দত্ত।