
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের লক্ষ্মী পূজা।
শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়। বিশ্বের সকল সনাতনিদের ঘরে ঘরে এক চিরন্তন প্রার্থনা।প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পূজা হয়ে থাকে। লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা হয়ে থাকে।
আজকে এস এফ টিভির বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি ও গোন্ধামারী মহালদার বাড়ি সার্বজনিন কালি মন্দিরের সভাপতি শ্রী নিত্যানন্দ মহালদারের বাড়ি সহ বিভিন্ন যায়গায় ৩ নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের, গোন্ধামারি গ্রামে নারী পুরুষ উভয়েই এই পূজায় অংশ গ্রহণ করেন অনেকেই সারা বছর প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পূজা করে থাকেন। এছাড়া শস্য সম্পদের দেবী বলে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি ও চৈত্র সংক্রান্তিতে এবং আশ্বিন পূর্ণিমা ও দীপাবলীতে লক্ষ্মীর পূজা হয়। লক্ষণীয় বিষয় হল-খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হয় ঠিক সেই সময় বাঙালি হিন্দু মেতে ওঠে লক্ষ্মীর আরাধনায়। তবে পূজার উপাচারে পরিবর্তন হয় মাস ভেদে।
লক্ষ্মী পূজা উৎযাপন করার উদ্দেশ্য বটিয়াঘাটা উপজেলা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ফসলের ক্ষেত বাজারে ও বাজারে ফুল ঝুলতে দেখা যায়। বটিয়াঘাটা উপজেলা ৩ নং গঙ্গা রামপুর ইউনিয়ন এর গোন্দা মারি গ্রামের প্রকাশ মহালদার লক্ষ্মী পূজার জন্য পাটকড়ি ও রং বেরংয়ের ফুল বিক্রয় করে। ফুল বিক্রয় করতে আসা প্রকাশ মহালদার বলেন এবার তেমন ফুল বিক্রয় হচ্ছে না। আমরা বহু বছর ধরে পূজা আসলে ফুল বিক্রয় করি। আমার ঠাকুর দাদা ফুল বিক্রয় করতো তারপর আমার বাবা ফুল বিক্রয় করেছে এখন আমি ফুল বিক্রয় করছি। তবে এবছর বেচাকেনা একেবারে কম। এলাকায় মানুষের খুবই আর্থিক অনাটন চলছে এবছর তাই ফুল বেচা-কেনা খুবই কম। অন্যান্য বছর পূজা আসলে ফুল, লেবু, আখ, কলা, বাতসা, মুড়ি কেনা ও খৈ ফটানোর হিড়িক পরতো কিন্তু এবছর বেচা-কেনা একাবারে কম। মানুষ কোন রকম অল্প স্বল্প কেনাকাটা করে পূজা করবে বলে মনে হচ্ছে।










