আজ সমগ্র বিশ্বে সনাতনিদের দেবী, ধন-সম্পদ প্রদায়িনী মা লক্ষী দেবীর পূজা
Spread the love

আজ সমগ্র বিশ্বে সনাতনিদের দেবী, ধন-সম্পদ প্রদায়িনী মা লক্ষী দেবীর পূজা

 

আজ সমগ্র বিশ্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধন ধদ সম্পদ প্রদায়িনী দেবী শ্রী শ্রী মাতা মহালক্ষ্মীর পূজা।বিজয় দশমীতে দেবী দুর্গার বিদায় অর্থাৎ শারদীয়া দুর্গোৎসবের ৫ দিন পর পূর্ণিমা তিথিতে প্রতিটি গৃহে সুখ শান্তি কল্পে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।শ্রী শ্রী লক্ষ্মী দেবী হচ্ছে ভগবান শ্রী নারায়ণের পত্নী তিনি জগতে ধনো দেবী হিসেবে খ্যাত।
তিনি জগতের শ্রী বৃদ্ধি ও কল্যাণ করেন।তাই আজ শনিবার পূর্ণিমা শুরু হবার সাথে সাথে শঙ্খ ও উলুধ্বনির মাধ্যমে প্রতিটি সনাতনীদের ঘরে ঘরে পূজা আরম্ভ হয়েছে।আজ শনিবার বড়ঠাকুর অর্থাৎ শনিদেবের বার হওয়ায়, অনেকে আগে সূর্যপুত্র গ্রহরাজ শনিদেবের পুজার পর, তিথি নক্ষত্র অনুযায়ী পূর্ণিমা তিথি যতক্ষণ চলবে ততক্ষণ লক্ষ্মী পূজা চলতে থাকবে। এস এফ টিভি বটিয়াঘাটা উপজেলার প্রতিনিধি ও গোন্ধামারি মহালদার বাড়ী সার্বজনীন কালী মন্দিরের সভাপতি শ্রী নিত্যানন্দ মহালদারের বাড়ি মহাধুমধামে অনুষ্টিত হবে লক্ষী পূজা অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে নবপত্রিকা ও ঘট স্থাপন অঞ্জলি প্রদান শেষে উপস্থিত ভক্তদের মধ্য প্রসাদ বিতরণ করা হয়ে থাকে। প্রসাদ সামগ্রীর মধ্য মা লক্ষ্মীর প্রিয় নারকেল, নাড়ু, লুচি, দই, সন্দেশ, ডাল, আঁখ, লেবু, আপেল, কলা, আঙ্গুর সহ অন্যান্য মিষ্টি সামগ্রী নিবেদন এর মাধ্যমে মা লক্ষী দেবী কে সন্তুষ্টি করা হয়।
শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ধনী গরিব সকল শ্রেণির মানুষেরা বাড়িতে পূজার আয়োজন করেন।
লক্ষী পূজার দিন সকল ভক্তরা বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে ঘুরে প্রসাদ ও মায়ের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন।
সনাতন ধর্মের মানুষেরা এটাই মনে করেন লক্ষ্মী দেবীকে সন্তুুষ্ট করতে পারলে ধনোধান্যে সম্পদ পরিপূর্ণ থাকে। গৃহে মানসিক প্রশান্তিও বৃদ্ধি পায়। সাথে আয়- রোজগারেরও দ্বার প্রশস্ত হয়।
তাই এই দিনে নানা উপকরণ দিয়ে ভোগাদি ও আসন নিবেদন সাথে পুরোহিত দ্বারা পূজা অর্চনা শেষে গৃহিনীরা পাঁচালী পাঠ করে মা লক্ষ্মী দেবীকে সন্তুষ্ট করে থাকেন ও অনেকে পুরোহিত দ্বারা পূজা করে থাকেন । গ্রামে ধানের গোছের সামনে নানা উপকরনে পূজা করে থাকেন।
এবং প্রথা অনুযায়ী লক্ষ্মীপূজা শেষের যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে ক্যাশ বাক্স ও দোকানের প্রবেশদ্বারে পদ্মফুল ও সোলার ফুল ঝুলিয়ে রাখা হয়।
মনে করা হয় এটা একটি শুভ শক্তির প্রতীক। এটা থাকলে মায়ের কৃপা বর্ষিত হয় সাথে অশুভ শক্তি দূরীভূত হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
তার লক্ষ্যে এসব উপকরণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি কৃষকরা ফসলের মাঠে এদিন সন্ধ্যায় শত শত প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে আলোয় আলোকিত করে মা লক্ষ্মী দেবীকে সন্তুষ্ট করার জন্য এ উপকরণ করা হয়ে থাকে এবং দেবীকে উদ্দেশ্য করে পূজা অর্চনা নিবেদন করেন।
পরে পুরোহিতের পায়ে প্রণাম শেষে শান্তির জল গ্রহণ করার মাধ্যমে এই পূজা সমাপ্তি হয়।
তাছাড়া এদিনগৃহে সারারাত প্রদীপ প্রজ্জলন করে রাখা হয় অশুভ শক্তিকে বিতাড়িত করার লক্ষে, সকলের মনে আনন্দ থাকে সতস্ফুর্ত ভাবে মায়ের আরাধনা করাহয়।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31